Logo

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৮ জুলাই, ২০২৬, ১৬:৫৩
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও তারেক রহমানের ভাষায় আশ্বাস দিয়েছেন
ছবি: সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের সবচেয়ে বড় শক্তি তার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ ভাবনায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের আগে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ ঘোষণা দিয়ে দেশের মানুষের সামনে রাষ্ট্র পরিচালনার একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন। সম্প্রতি ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীও তার বক্তব্যের সূচনায় ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলে পরিকল্পনা ভিত্তিক নেতৃত্বের সঙ্গে মিলিয়ে একই ভাষায় কথা বলেছেন।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে সামাজিক সংগঠন ‘আপন’-এর উদ্যোগে মহাত্মা ভেগাই হালদারের আবির্ভাব ও তিরোধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, একটু আগে দেখলাম ব্রিটেনের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শুরুতেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলেছেন। শুনে মনে হয়েছে, পরিকল্পনা ভিত্তিক নেতৃত্বের যে দর্শন তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছিলেন, সেই একই ভাষায় জনগণের কাছে ভবিষ্যতের রূপরেখা তুলে ধরা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক যখন জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন, তখন জনগণ সেই পরিকল্পনার মধ্যেই দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে পায় এবং সেই নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখে। বাংলাদেশের মানুষও তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এ ঘোষিত রাষ্ট্রচিন্তা ও কর্মপরিকল্পনার প্রতি বিশ্বাস রেখেই তাকে এবং তার দলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী আরও বলেন, তারেক রহমানের পরিকল্পনার অন্যতম ভিত্তি হলো ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিসত্তা ও সংস্কৃতি নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা। 

মাহাত্মা ভেগাই হালদারও অনুরূপ মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা প্রচার করে গিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে এবং বিভাজনের রাজনীতির কোনো স্থান এখানে হবে না।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, যারা একক ধর্ম, একক সংস্কৃতি বা একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তারা প্রকৃতির নিয়ম, মানবতা ও সভ্যতার বিরোধী। 

বাংলাদেশে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢপ্রতিজ্ঞ। 

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কৃতি শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আপন-ঢাকার সভাপতি শচীন্দ্র নাথ হালদার।

বিজ্ঞাপন

সূত্র: বাসস

জেবি/এসডি

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD