Logo

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো আগ্রহ নেই: তথ্যমন্ত্রী

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৬:০১
গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো আগ্রহ নেই: তথ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার অক্ষুণ্ন রেখেই সরকার দায়িত্বশীলভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় আন্দালিব রহমান পার্থকে অভিনন্দন জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। বৈঠকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার, ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিরোধী দলের সংবাদ প্রচারের বিষয়টিকেও উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে আলোচনায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম বা মানুষের কণ্ঠ নিয়ন্ত্রণ সরকারের উদ্দেশ্য নয়। বরং স্বাধীন গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের অধিকার বজায় রেখেই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বরও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছিলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকারের হস্তক্ষেপের কোনো ইচ্ছা নেই। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার ঠেকাতে ভারসাম্যপূর্ণ আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

বৈঠকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য মোকাবিলায় অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা এবং কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে নাগরিকদের নিরাপদ রাখার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়েও কাজ করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ভুল তথ্য ও অপতথ্যের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। তাই এসব তথ্য শনাক্ত ও প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারিত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এ সময় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অর্থনৈতিক সহায়তার বিষয়টিও তুলে ধরেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সহায়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আরও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD