আব্দুল্লাহপুর-টঙ্গিতে নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ সেতু সচিবের

আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন ও টঙ্গি ইউ-টার্ন এলাকায় চলমান রিজিড পেভমেন্ট, ড্রেইনেজ ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণকাজের অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) তিনি এসব এলাকায় গিয়ে চলমান নির্মাণকাজের সার্বিক অগ্রগতি এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে সেতু বিভাগের সচিব চলমান রিজিড পেভমেন্ট, ড্রেইনেজ, রোড আইল্যান্ডসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। প্রকল্পের আওতায় এরই মধ্যে ১ হাজার ৩৫০ মিটার রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনের সময় তিনি নির্মাণকাজের গুণগত মান, কর্মপরিবেশ এবং নির্মাণকাজ চলাকালে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখার বিষয়গুলোও পর্যবেক্ষণ করেন।
সেতু সচিব বলেন, বর্তমান সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের যোগাযোগ খাতে এক অভাবনীয় রূপান্তর ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ও অদম্য সদিচ্ছার কারণেই আজ মেগা প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের মুখ দেখছে। একই সাথে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর প্রজ্ঞাপূর্ণ নেতৃত্ব এবং ধারাবাহিক দিকনির্দেশনায় দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো বিশ্বমানে উন্নীত হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন ও টঙ্গি ইউ-টার্ন এলাকায় রিজিড পেভমেন্ট এবং ড্রেন নির্মাণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে এসব এলাকায় রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণের কাজ শুরু হয়। পরে জুলাই মাসে আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশনের একটি অংশে রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করা হয়েছিল। ওই সময়ও নির্মাণকাজে গুণগত মান বজায় রাখার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আজকের পরিদর্শনকালে কাজের গুণগত মান কোনোভাবেই ব্যাহত না করে দ্রুততার সঙ্গে নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য সচিব মহোদয় সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের ড্রেইনেজ ওয়ার্ক এবং রোড আইল্যান্ড নির্মাণের কাজ আগামী ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেন।
তিনি আরো বলেন, আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশন রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বহির্গমন পয়েন্ট। এ এলাকার সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন ও চলমান নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন হলে যানবাহন চলাচল আরও নির্বিঘ্ন করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। আব্দুল্লাহপুর ইন্টারসেকশনকে ঘিরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পরিবহন অবকাঠামোর সংযোগ থাকায় এলাকাটি নগর পরিবহন ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ।
বিজ্ঞাপন
পরিদর্শনকালে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।








