নতুন করে এক লাখ এতিম শিক্ষার্থীকে সহায়তা দেবে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

এতিম ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে সরকার কাজ করে যাবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, এতিমদের দায়িত্ব সরকারের। সেই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে সরকার।
বিজ্ঞাপন
মন্ত্রী জানান, এতিম ও দুস্থদের সহায়তায় সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নতুন করে এক লাখ এতিম ও দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি অনাথ ও এতিমদের জন্য সরকারি কার্যক্রমের পরিধিও বাড়ানো হচ্ছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি ধনী ও বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
কওমি মাদরাসার শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শেষ করে অনেকেই দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা প্রসারে মাদরাসাশিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জুমার আগে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার আল জামেয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি মাদরাসার দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামি মহাসম্মেলন ও দস্তারবন্দী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মাদরাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মো. খোবাইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মাওলানা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা মেরাজুল হক, মুফতি আরশাদ রহমানি, পাকিস্তানের আল্লামা ফয়সাল নদীম, মাওলানা ফরিদ উদ্দীন আল মোবারক, মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী কুয়াকাটা, মুফতি শিহাব উদ্দীন নাটোরীসহ অনেকে।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিল্পপতি আহমেদুল হক, মীর গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুস সালাম, শিল্পপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ বাপ্পী ও সামশুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, বিভাগীয় সমাজসেবা কর্মকর্তা ওয়াহিদুল আলম এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন।
দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মাদরাসাটির সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এ উপলক্ষে মাদরাসা প্রাঙ্গণে হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে। জুমার নামাজের পর দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী।








