সনাতন ধর্মাবলম্বী নির্যাতনকারীদের উত্তরসূরিরা এবার নির্বাচনে লড়ছে

কক্সবাজার-১ আসনের এমপি প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন করেছিল, তাদের উত্তরসূরিরা নতুন রূপে রাজনীতিতে ফিরে এসে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে দেশের সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত রয়েছে কিনা—এ প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে উত্থাপন করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) পেকুয়া সদরের বিশ্বাস পাড়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি ধর্মভিত্তিক দলের হাতে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, যারা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাস করত না, তারাই সে সময় এসব নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ছিল—যার সাক্ষ্য ভুক্তভোগী পরিবারের পূর্বসূরিরা বহন করছেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, বিএনপির শাসনামলে দেশের সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ ছিল। দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সকল ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জাতিগত বা ধর্মীয় বিভাজন নয়—সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে একসঙ্গে বসবাসের পরিবেশ গড়ে তুলতেই বিএনপি কাজ করে যাচ্ছে।
পেকুয়া উপজেলা বিশ্বাসপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রময় বিশ্বাস তিলকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদীদ মুকুট, বিশ্বাসপাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি শিমুল বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক রমেশ বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুমন বিশ্বাস, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অংতোয়াইচিং রাখাইন, বারবাকিয়া লোকনাথ মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিপন কান্তি নাথ, বারবাকিয়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সভাপতি পরিতোষ নাথ এবং শিলখালী বিষ্ণু মন্দিরের সভাপতি মাস্টার অনিল কান্তি শিলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বিজ্ঞাপন
এদিকে বিকেলে উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নে গণসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এক পথসভায়ও বক্তব্য রাখেন সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।








