জুমায় মুফতি আব্দুল মালেককে ঘিরে সংঘর্ষের আশঙ্কা!

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেকের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বক্তব্যের জেরে পাল্টাপাল্টি প্রতিক্রিয়া আসায় শুক্রবার জুমার নামাজকে ঘিরে বায়তুল মোকাররম এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ এবং কওমি আলেমদের একাংশের জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক জোটে যুক্ত হওয়া নিয়ে সমালোচনা করেন মুফতি আব্দুল মালেক। তিনি এ ধরনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাকে সাধারণ মানুষের জন্য বিভ্রান্তিকর বলে মন্তব্য করেন। তার ওই বক্তব্যের পর জামায়াতে ইসলামীর নেতা মুফতী আমির হামজা প্রতিক্রিয়া জানান।
এরপর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকও বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বায়তুল মোকাররমের খতিব তার বিষয়ে কঠোর বা কড়া কথা বলার অধিকার রাখেন। একই সঙ্গে খতিবের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে অন্য কারও নেতিবাচক মন্তব্য করাকে তিনি শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে উল্লেখ করেন।
এদিকে মুফতি আব্দুল মালেককে ঘিরে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন মন্তব্য না করার আহ্বান জানিয়েছে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স। সংগঠনটির পক্ষ থেকে খতিবের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও বিষোদ্গার অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যেই শুক্রবার জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বায়তুল মোকাররমে। ফলে খতিবের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কোনো পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয় কি না, তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বায়তুল মোকাররমে জুমার বয়ানের সময় সাবেক খতিব মুফতি রুহুল আমীনের পেছনে নামাজ পড়া না পড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
তবে সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া এবং অতীতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বায়তুল মোকাররমে শুক্রবারের জুমার নামাজকে ঘিরে সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে।








