বিপিএলের পেমেন্ট জট: ব্যাংক গ্যারান্টি ভাঙিয়ে টাকা দিবে বিসিবি

বিপিএলের শেষ আসরের পর্দা নামার পর ২৩ জানুয়ারি চট্টগ্রাম রয়্যালসের ক্রিকেটাররা বৃহস্পতিবার তাদের পারিশ্রমিক পেয়েছেন। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ক্রিকেটাররা। তবে ১২ বছর ধরে বিপিএলের ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক বিতরণের বিলম্ব নিয়ে গাইডলাইন দেওয়া হচ্ছে ‘আক্ষেপজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু।
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, ঢাকা ক্যাপিটালস ও সিলেট টাইটান্সের ক্রিকেটারদের বকেয়া দিতে বিসিবি দুই দলের ব্যাংক গ্যারান্টি ব্যবহার করবে।
মিঠু বিস্তারিত তুলে ধরেন, চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স সব টাকা পরিশোধ করে পেমেন্ট সার্টিফিকেট জমা দিয়েছে। রংপুর ইতোমধ্যে ৭৫ শতাংশ পেমেন্ট শেষ করেছে। কিন্তু নোয়াখালী, ঢাকা ও সিলেটের বকেয়া মেটাতে বিসিবি তাদের কাছে থাকা গ্যারান্টি ব্যবহার করবে। মিঠু বলেন, “নোয়াখালীর ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকার পাওনা আছে। আমাদের কাছে তাদের ২ কোটি টাকার পে-অর্ডার আছে। ক্রিকেটারদের কল করে ভেরিফাই করেছি, এই টাকা থেকে আমরা তাদের পারিশ্রমিক দেব। প্লেয়াররা সম্মত, আমরা আগামী সপ্তাহে এটাও শেষ করব, ইনশাল্লাহ।”
বিজ্ঞাপন
ঢাকা ক্যাপিটালসের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ৫ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি বিসিবির কাছে রাখা আছে। ভেরিফিকেশন শেষে এক সপ্তাহের মধ্যে সব খেলোয়াড় ও ম্যানেজমেন্টের পাওনা শোধ করা হবে। সিলেটের ক্ষেত্রেও একই নিয়মে বকেয়া পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মিরাজসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে পেমেন্ট লিস্ট ভেরিফাই করে সিলেটে পাঠানো হয়েছে। বিদেশি খেলোয়াড়ের একটি পাওনা বিষয় জটিল হলেও দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
মিঠু বলেন, “ক্রিকেটের মান ছেড়ে এখনো পেমেন্ট নিয়ে কথা বলতে হয়, এটা হতাশাজনক। তাই আমরা ভালো ফ্র্যাঞ্চাইজি চাই। রাজশাহীর মতো নতুন দল এসে টাকা দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া ভালো উদাহরণ। এবার ফাইনান্সিয়াল ও ইন্টিগ্রিটি ইস্যুতে আপস করা হয়নি।”
বিজ্ঞাপন
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল নিশ্চিত করেছে, রোজার আগেই সব ক্রিকেটার ও ম্যানেজমেন্টের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।








