তিন পরিবর্তন নিয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। আবুধাবিতে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে একাদশে তিনটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ দল। সুযোগ পেয়েছেন পারভেজ হোসেন ইমন, মেহেদী হাসান মিরাজ ও আলিস আল ইসলাম। এই ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হচ্ছে আলিসের।
বিজ্ঞাপন
ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের। তবে শুধু জয় পেলেই হবে না, ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে নেট রান রেটের হিসাবেও এগিয়ে থাকতে হবে টাইগারদের।
জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। নেট রান রেটে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশের কাছে হারলেও ফাইনালে ওঠার সুযোগ রয়েছে তাদের। অন্যদিকে, আফগানিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলে জিম্বাবুয়েকে পেছনে ফেলে ফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে বাংলাদেশের।
এক ম্যাচে জয় পেয়ে +৩.১৬০ নেট রান রেট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে আফগানিস্তান। এক জয় ও এক হারে -০.৫৯০ নেট রান রেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে জিম্বাবুয়ে। প্রথম ম্যাচে হারের পর -১.৯৮০ নেট রান রেট নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
বিজ্ঞাপন
আগে ব্যাটিং করায় বাংলাদেশকে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে জিততে হবে। আর পরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেলে জয়ের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা নির্ভর করবে প্রতিপক্ষের দেওয়া লক্ষ্যের ওপর।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সমীকরণ অনুযায়ী, ২০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪০.২ ওভারের মধ্যে জিততে হবে বাংলাদেশকে। ২২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হবে ৪০.৫ ওভারের মধ্যে। ২৪০ রানের লক্ষ্য হলে জয় নিশ্চিত করতে হবে ৪১.১ ওভারের মধ্যে। আর ২৫০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে জিততে হবে।
একইভাবে ২৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে হলে ৪১.৪ ওভারের মধ্যে, ২৭০ রানের লক্ষ্য হলে ৪১.৫ ওভারের মধ্যে, ২৮০ রানের লক্ষ্য হলে ৪২ ওভারের মধ্যে এবং ৩০০ রানের লক্ষ্য পেলে ৪২.২ ওভারের মধ্যে জয় নিশ্চিত করতে হবে।
বিজ্ঞাপন
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান এখন পর্যন্ত ২২ বার মুখোমুখি হয়েছে। দুই দলই জিতেছে ১১টি করে ম্যাচ। তবে সাম্প্রতিক লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছে আফগানরা। সর্বশেষ ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে তারা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ ও আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এই পাঁচটি জয়।
বাংলাদেশ একাদশ: তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, মেহেদী হাসান মিরাজ, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।








