ইমন-সাইফের ৯৩ রানের জুটির পরও ১৬০ রানে অলআউট বাংলাদেশ

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসান। দুজনের ৯৩ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচে ৪১.২ ওভারে মাত্র ১৬০ রানেই গুটিয়ে যায় তাওহীদ হৃদয়ের দল।
বিজ্ঞাপন
শারজায় টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। তবে শুরু থেকেই আফগান বোলারদের সামনে অসহায় হয়ে পড়েন বাংলাদেশের টপ অর্ডারের ব্যাটাররা। মাত্র ২৮ রানের মধ্যেই চারটি উইকেট হারিয়ে বড় বিপর্যয়ে পড়ে দল।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ৬ বলে ১ রান করে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। একই ওভারে প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন সৌম্য সরকার। তার সংগ্রহ শূন্য। এরপর ১৫ রান করে উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে ধরা পড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ও দুই বল খেলে কোনো রান করতে পারেননি। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এমন কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন। দুজন মিলে ১৪৬ বল মোকাবিলা করে গড়েন ৯৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। এই জুটিতে ইমন তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক। তবে দলকে বিপদমুক্ত করার লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেননি সাইফ।
বিজ্ঞাপন
আক্রমণাত্মক শট খেলতে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে মোহাম্মদ নবির বলে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ৪১ রান করে থামে তার ইনিংস। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজও বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন মাত্র ২ রান করে।
অন্য প্রান্তে উইকেট ধরে রেখে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন ইমন। তবে রশিদ খানের ঘূর্ণিতে শেষ পর্যন্ত থেমে যায় তার প্রতিরোধও। ৯৬ বলের ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে ৭০ রান করেন তিনি। রশিদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন এই ব্যাটার।
ইমনের বিদায়ের পর বাংলাদেশের ইনিংস আর বেশি দূর এগোয়নি। শেষ পর্যন্ত ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ।
বিজ্ঞাপন
আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে রশিদ খান সর্বোচ্চ চারটি উইকেট শিকার করেন। আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও ইয়ামিন আহমেদজাই দুটি করে উইকেট নেন। বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ের সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে স্বল্প রানে আটকে রাখতে সক্ষম হয় আফগানিস্তান।








