৬ বিভাগে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, ঘনীভূত হতে পারে লঘুচাপ

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর প্রভাবে দেশের ছয় বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের কিছু স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
রোববার (৫ জুলাই) চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।
বিজ্ঞাপন
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নিকলিতে ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের সিনপটিক অবস্থার তথ্যে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে সৃষ্ট লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে এবং এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।








