Logo

টাকার অভাবে পা হারাতে বসেছেন আকলি বেগম

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
১৩ মে, ২০২৩, ২২:২৩
টাকার অভাবে পা হারাতে বসেছেন আকলি বেগম
ছবি: সংগৃহীত

আকলি বেগম গত কয়েক দিন ধরে বিছানায় ব্যথায় কাতরাচ্ছেন। তিনি এখনো বুঝে উঠতে পারেনি তার পা কি হতে চলেছে।শুধু স্থানীয় একটি ফার্মিসি থেকে ব্যথার ঔষধ কিনে খাচ্ছেন।ভালো ডাক্তার দেখাও না কেন কেউ জানতে চাইলে শুধু হাউমাউ করে কাদে।

বিজ্ঞাপন

আকলি বেগম গত কয়েক দিন ধরে বিছানায় ব্যথায় কাতরাচ্ছেন। তিনি এখনো বুঝে উঠতে পারেনি তার পা কি হতে চলেছে।শুধু স্থানীয় একটি ফার্মিসি থেকে ব্যথার ঔষধ কিনে খাচ্ছেন।ভালো ডাক্তার দেখাও না কেন কেউ জানতে চাইলে শুধু হাউমাউ করে কাদে। 

বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার বুকাবুনিয়া ইউনিয়নের লক্ষীপুরা গ্রামের মৃত আজিজ আকনের মেয়ে আকলি বেগম ডাইবেটিকস বৃদ্ধি থাকার কারণে সামান্য ইনফেকশন থেকে  তার পা পচন ধরেছে। টাকার অভাবে প্রথম দিক থেকে সঠিক চিকিৎসা না পাওয়া পা হারাতে বসেছে আকলি বেগম।ছোট বেলায় বাবাকে হারিয়েছেন অভাবের টানাপোড়ার সংসারে স্কুলের গণ্ডি পারানো হয়নি তাইতো মাত্র ১৪ বছর বয়সেই বিয়ে হয়েছিল রিকশা চালক সুমনের সঙ্গে কিছুদিন সংসার করার পরে বাবার বাড়িতে রেখে পালিয়ে যান স্বামী।পরে আকলি বেগমের ঠাই হয় চট্টগ্রামের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে।সেখানে দীর্ঘদিন চাকরি করে কিছু টাকা জমিয়েছিলেন পরে বিশ্বাস করে রাজুকে বিয়ে করেন।একটা সময় আকলি বেগম বুঝতে পারে টাকার লোভে রাজু তাকে বিয়ে করেছে সর্বশেষ নিঃস্ব হয়ে অসুস্থ শরীর নিয়ে বাড়ি ফিরেন আকলি বেগম।

বিজ্ঞাপন

আকলি বেগম জানান, গত কয়েক মাস আগে আমার দুই পায়ের গোড়ালি ফেটে যায় প্রথমে ফার্মেসী থেকে ওষুধ খাই তাতে আরো ব্যাথা ছড়িয়ে পড়ে পরে।পরে উপজেলা হাসপাতালে গেলে ডাক্তার জানায় আমার ডায়াবেটিস অনেক বৃদ্ধি সেখান থেকে কিছু ওষুধ দিলে মোটামুটি সুস্থ হই।কয়েক দিন ভালো ছিলাম এখন রাতে ঘুমাতে পারি না পায়ে প্রচন্ড ব্যথা হয় ডাক্তার বলেছে বরিশাল গিয়ে বড় ডাক্তার দেখাতে হাতে একটা টাকাও নাই কিভাবে আবার ডাক্তার দেখাবো। 

বিজ্ঞাপন

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রোগা শরীরে কাজ করতে পারছেন না আকলি বেগম, তার মা এবং বড় ভাইয়ের সংসারে কিছুদিন থাকলেও সরকার মুজিব শতবার্ষিকী উপলক্ষে ভূমিহীনদের মাঝে ঘর দিয়েছেন সেখানে আশ্রয় হয় আকলি বেগমের।এতদিন ঝি এর কাজ করে পেট চালালেও টাকার অভাবে পায়ের চিকিৎসা করাতে পারছেন না।

আকলি বেগমের মা শেফালি বেগম বলেন, ‘টাকার অভাবে চোখের সামনে ধুঁকে ধুঁকে মেয়ের পা শেষ হতে চলেছে। আমাদের তেমন সহায় সম্বল নেই যা বিক্রি করে তার চিকিৎসা করাব। আমার মেয়ের পা রক্ষার্থে দেশের সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’

বিজ্ঞাপন

ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম জানান, মানুষ মানুষের জন্য সমাজের বিত্তবানদের আকলি বেগমের পাশে দাঁড়ানো উচিত আকলি পা হারাতে বসেছে দ্রুত চিকিৎসা না করালে ধারণা করা হচ্ছে তার পা কেটে ফেলতে হবে।

বিজ্ঞাপন

আরএক্স/

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD