ভালুকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি লটারি নিয়ে উত্তেজনা, ইউএনও অবরুদ্ধ

ময়মনসিংহের ভালুকায় ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি লটারিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফিরোজ হোসেনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার ভালুকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে ভর্তি লটারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও মো. ফিরোজ হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি জানান, চলতি বছর লটারির মাধ্যমে বিদ্যালয়টিতে ১০০ থেকে ১৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ ঘোষণার পরপরই অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।
একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা ইউএনও মো. ফিরোজ হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকবাল হোসাইন এবং উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামালকে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
অভিভাবকদের দাবি, প্রতিবছর এই বিদ্যালয়ে ৪০০ থেকে ৪৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এ বছর প্রায় ৭০০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি ফরম সংগ্রহ করেছেন। সেই তুলনায় মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত তারা মেনে নিতে পারছেন না।
বিজ্ঞাপন
খবর পেয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধ কর্মকর্তাদের উদ্ধার করে নিয়ে যান। পরে অভিভাবকেরা জানান, ইউএনও বিকেল ৫টার মধ্যে নতুন সিদ্ধান্ত দেওয়ার আশ্বাস দিলে তারা কর্মকর্তাদের যেতে দেন।
তবে আশানুরূপ সিদ্ধান্ত না এলে আগামী মঙ্গলবার পুনরায় বিদ্যালয়ে সমবেত হয়ে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন অভিভাবকেরা।
এ বিষয়ে ভালুকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আল আমিন মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যস্ততার কথা জানিয়ে পরে কথা বলবেন বলে জানান।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফিরোজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।








