Logo

জনবাণীতে সংবাদ প্রকাশের পর নতুন ঘর পেলেন রাশিদা

profile picture
উপজেলা প্রতিনিধি
বাকেরগঞ্জ, বরিশাল
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২০:০৬
জনবাণীতে সংবাদ প্রকাশের পর নতুন ঘর পেলেন রাশিদা
ছবি: সংগৃহীত

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠি গ্রামের অসহায় রাশিদা বেগম ও তার সন্তান লিমনের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র নিয়ে জনবাণী ডিজিটালে সংবাদ প্রকাশের পর এবার তাদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে নতুন ঘর। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাশিদা বেগমের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

রাশিদা বেগম বাক ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। প্রায় আট বছর ধরে তিনি সন্তান লিমনকে নিয়ে বাবার বাড়ির আঙিনায় পলিথিন দিয়ে তৈরি একটি ঝুপড়িতে বসবাস করছিলেন। সন্তান জন্মের পর তিনি দৃষ্টিশক্তি হারান। পরে স্বামীর বাড়ি থেকে সন্তানসহ তাকে চলে আসতে হলে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। তবে তিন ভাইয়ের কেউ তাকে স্থায়ীভাবে আশ্রয় না দেওয়ায় বাবার বাড়ির আঙিনায় জঙ্গলঘেরা ওই ঝুপড়িই হয়ে ওঠে তার বসবাসের জায়গা।

রাশিদা বেগম ও তার সন্তানের এমন জীবনযাপনের বিষয়টি তুলে ধরে গত ২৩ আগস্ট জনবাণী ডিজিটালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি রাশিদা বেগমের ঘর নির্মাণে আর্থিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসেন।

এদিকে তার দুর্দশার খবর জানতে পেরে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলটন চন্দ্র পালও সহায়তার উদ্যোগ নেন। তিনি ঘর নির্মাণের জন্য দুই বান টিন ও ৬ হাজার টাকা দেন। বিভিন্ন ব্যক্তির দেওয়া সহায়তা এবং ইউএনওর সহযোগিতায় বুধবার রাশিদা বেগমের জন্য নতুন ঘর নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলটন চন্দ্র পাল রাশিদা বেগমের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেন। এ সময় ইউএনওর পক্ষ থেকে তাকে খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, রাশিদা বেগমের ঘর নির্মাণে আমরা সহযোগিতা করেছি। তার চোখের অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ও দৈনিক জনবাণীর প্রতিনিধি মো. জিয়াউল হক আকন, দৈনিক সত্য সংবাদ ও তালাশ বিডির প্রতিনিধি মো. সানি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বিজ্ঞাপন

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাশিদা বেগম বাবার বাড়ির আঙিনায় পলিথিনের ঝুপড়িতে বসবাস করছিলেন। জনবাণীতে সংবাদ প্রকাশের পর বিভিন্ন মানুষের সহযোগিতায় তার জীবনে পরিবর্তন এসেছে। নতুন ঘর পেয়ে এখন অন্তত মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছেন তিনি। এ উদ্যোগের জন্য জনবানী কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান স্থানীয়রা।

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠি গ্রামের অসহায় রাশিদা বেগম ও তার সন্তান লিমনের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র নিয়ে জনবাণী ডিজিটালে সংবাদ প্রকাশের পর এবার তাদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে নতুন ঘর। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাশিদা বেগমের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়।

রাশিদা বেগম বাক ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। প্রায় আট বছর ধরে তিনি সন্তান লিমনকে নিয়ে বাবার বাড়ির আঙিনায় পলিথিন দিয়ে তৈরি একটি ঝুপড়িতে বসবাস করছিলেন। সন্তান জন্মের পর তিনি দৃষ্টিশক্তি হারান। পরে স্বামীর বাড়ি থেকে সন্তানসহ তাকে চলে আসতে হলে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। তবে তিন ভাইয়ের কেউ তাকে স্থায়ীভাবে আশ্রয় না দেওয়ায় বাবার বাড়ির আঙিনায় জঙ্গলঘেরা ওই ঝুপড়িই হয়ে ওঠে তার বসবাসের জায়গা।

বিজ্ঞাপন

রাশিদা বেগম ও তার সন্তানের এমন জীবনযাপনের বিষয়টি তুলে ধরে গত ২৩ আগস্ট জনবাণী ডিজিটালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি রাশিদা বেগমের ঘর নির্মাণে আর্থিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসেন।

এদিকে তার দুর্দশার খবর জানতে পেরে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলটন চন্দ্র পালও সহায়তার উদ্যোগ নেন। তিনি ঘর নির্মাণের জন্য দুই বান টিন ও ৬ হাজার টাকা দেন। বিভিন্ন ব্যক্তির দেওয়া সহায়তা এবং ইউএনওর সহযোগিতায় বুধবার রাশিদা বেগমের জন্য নতুন ঘর নির্মাণ সম্পন্ন করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলটন চন্দ্র পাল রাশিদা বেগমের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেন। এ সময় ইউএনওর পক্ষ থেকে তাকে খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, রাশিদা বেগমের ঘর নির্মাণে আমরা সহযোগিতা করেছি। তার চোখের অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বাকেরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি ও দৈনিক জনবাণীর প্রতিনিধি মো. জিয়াউল হক আকন, দৈনিক সত্য সংবাদ ও তালাশ বিডির প্রতিনিধি মো. সানি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাশিদা বেগম বাবার বাড়ির আঙিনায় পলিথিনের ঝুপড়িতে বসবাস করছিলেন। জনবাণীতে সংবাদ প্রকাশের পর বিভিন্ন মানুষের সহযোগিতায় তার জীবনে পরিবর্তন এসেছে। নতুন ঘর পেয়ে এখন অন্তত মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছেন তিনি। এ উদ্যোগের জন্য জনবাণী কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান স্থানীয়রা।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD