লালমনিরহাটে জেন্ডার সমতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তায় আলোচনা সভা

জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠা, সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে যুবসমাজের সচেতনতা বাড়াতে লালমনিরহাটে দিনব্যাপী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৮ অক্টোবর) লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদে ‘সমতায় তারুণ্য: ইয়ুথ ফর ইক্যুয়ালিটি’ প্রকল্পের আওতায় ‘Inclusive Interactive Capacity Building Discussions on Gender Stereotypes, Digital Safety, Media Literacy, and Advocacy’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় যুবসমাজ, যুব সংগঠনের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ ৪০ জন অংশ নেন।
ঝংকার যুব সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে সভাটি বাস্তবায়ন করে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।
আয়োজকেরা জানান, যুবসমাজের অংশগ্রহণ বাড়ানো, জেন্ডার সমতা ও সামাজিক বৈষম্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। দিনব্যাপী কার্যক্রমে জেন্ডার স্টেরিওটাইপ, ডিজিটাল নিরাপত্তা, মিডিয়া লিটারেসি ও অ্যাডভোকেসি বিষয়ে অংশগ্রহণমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানের ফ্যাসিলিটেটর এবং ঝংকার যুব সাংস্কৃতিক সংগঠনের কো-ফাউন্ডার ও সাধারণ সম্পাদক শিব সুন্দর বর্মন বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ আমাদের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের জন্য অনেক বেশি প্রয়োজন।
আরেক ফ্যাসিলিটেটর জাকিয়া সুলতানা নদী বলেন, আমাদের এ উদ্যোগ একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার (জেন্ডার অ্যান্ড সিভিল সোসাইটি) মুশফিকা জামান সাতিয়ার ও কন্ট্রোলার হ্যারি মোরিল।
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের ‘সমতায় তারুণ্য’ প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার সৌরভ সাহা, ফান্ডরেইজিং অ্যান্ড গ্রান্টস ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার কামরুল কিবরিয়া আয়ন, মিল অফিসার মালিহা নাজ জারিন ও প্রজেক্ট অফিসার আসিফ মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রোগ্রামস ডিরেক্টর মোহাম্মদ মাহিন নেওয়াজ চৌধুরী, ডেপুটি ডিরেক্টর নীলিমা ইয়াসমিন, কনসোর্টিয়াম অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি ম্যানেজার মো. হুশাইন শাকির এবং জেন্ডার স্পেশালিস্ট ফারজানা আক্তার রূপাও সভায় অংশ নেন।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আলোচনা ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে জেন্ডার সমতা, দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ এবং গণমাধ্যমের তথ্য যাচাইয়ের সক্ষমতা বাড়বে। পাশাপাশি সামাজিক বৈষম্য মোকাবিলা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় যুবসমাজ আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।








