Logo

প্লাস্টিক হেলমেট দেখলেই অ্যাকশন, রাস্তাতেই ভেঙে ফেলছে পুলিশ

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১৬:১৫
প্লাস্টিক হেলমেট দেখলেই অ্যাকশন, রাস্তাতেই ভেঙে ফেলছে পুলিশ
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর সড়কে নিরাপত্তা জোরদার এবং মোটরসাইকেল আরোহীদের মধ্যে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরতে ভিন্নধর্মী এক উদ্যোগ হাতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগ। অভিযানে দেখা যাচ্ছে, রাস্তায় চলাচলের সময় কারও মাথায় নিম্নমানের প্লাস্টিক হেলমেট পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তা ভেঙে দিচ্ছেন দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে গুলশান-২ এলাকায় পরিচালিত এ বিশেষ অভিযানে নেতৃত্ব দেন ট্রাফিক গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিজানুর রহমান শেলী। এ সময় বিভিন্ন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীর কাছ থেকে উদ্ধার করা অনিরাপদ হেলমেট সড়কের পাশেই ধ্বংস করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, অনেকেই ট্রাফিক আইনের বাধ্যবাধকতা এড়াতে কেবল আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার জন্য সস্তা ও অমানসম্মত প্লাস্টিক হেলমেট ব্যবহার করেন। এসব হেলমেট দেখতে সুরক্ষার উপযোগী মনে হলেও বাস্তবে দুর্ঘটনার সময় কোনো কার্যকর সুরক্ষা দিতে পারে না। বরং আঘাতের সময় ভেঙে গিয়ে তা মাথা ও চোখে ঢুকে গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও অনুমোদিত হেলমেট দুর্ঘটনার সময় মাথাকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে উল্লেখ করেন সংশ্লিষ্টরা। তাই শুধু আইনের ভয় নয়, নিজের জীবনের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সঠিক মানের হেলমেট ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অভিযান শেষে ডিসি মিজানুর রহমান শেলী বলেন, সড়কে নিরাপদ থাকতে আইন মানা জরুরি হলেও এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের জীবন রক্ষা। অনেকেই জরিমানা এড়াতে নিম্নমানের হেলমেট ব্যবহার করেন, যা কোনোভাবেই নিরাপদ নয়। আমরা সবাইকে অনুরোধ করছি, অনুমোদিত ও মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার করুন।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অভিযান কেবল শাস্তিমূলক নয়, বরং সচেতনতা তৈরির একটি প্রতীকী উদ্যোগ। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে চালক ও আরোহীদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই।

ডিএমপির এ উদ্যোগকে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা কমাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD