Logo

ট্রাইব্যুনালে হাজির সাবেক আইজিপি মামুন

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:০১
ট্রাইব্যুনালে হাজির সাবেক আইজিপি মামুন
ছবি: সংগৃহীত

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি থেকে রাজসাক্ষী হয়ে ওঠা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এই মামলায় পলাতক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ৯টার পর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে মামুনকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসে পুলিশ। এদিন ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ করবে।

বিজ্ঞাপন

হাসিনা ও কামাল পলাতক অবস্থায় থাকলেও সাবেক আইজিপি চৌধুরী মামুন গত এক বছর ধরে কারাগারে বন্দি। তবে রাজসাক্ষী হয়ে ট্রাইব্যুনালে তার জবানবন্দি সংগ্রহ হয়েছে। ফলে প্রসিকিউশন তার শাস্তির বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের উপর ছেড়ে দিয়েছে, যখন শেখ হাসিনা ও কামালের জন্য সর্বোচ্চ দণ্ডের দাবি করেছে।

মোট ২৮টি কার্যদিবসে ৫৪ জনের সাক্ষ্য-জেরা শেষ হয়ে গত ২৩ অক্টোবর শেখ হাসিনার মামলায় সমাপনী যুক্তি উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধানমন্ত্রীসহ শীর্ষ নেতাদের মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচারের ঐতিহাসিক উদাহরণ তুলে ধরে অভিযুক্তদের দায়িত্বের কথা তুলে ধরেন। এরপর আসামিপক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর যুক্তির জবাব দেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেনও পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করেন। এরপর রায়ের তারিখ ঘোষণার জন্য আজকের দিন নির্ধারিত হয়। ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানায়, আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন রায় ঘোষণা হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট। প্রথম সাক্ষী খোকন চন্দ্র বর্মণ জুলাই-আগস্টের বীভৎসতার চিত্র তুলে ধরেন। ৮ অক্টোবর মূল তদন্তকর্তা মো. আলমগীরের জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণের ধাপ শেষ হয়। এরপর ২৩ অক্টোবর যুক্তিতর্কের সমাপ্তি ঘটে।

প্রসিকিউশন এই মামলায় পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তুলেছে। এর মধ্যে রয়েছে উসকানিমূলক কার্যকলাপ, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড, চানখারপুলে গণহত্যা এবং আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর ঘটনা।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র ৮,৭৪৭ পৃষ্ঠার, যার মধ্যে তথ্যসূত্র ২,০১৮ পৃষ্ঠা, জব্দকৃত দলিল ও প্রমাণ ৪,০০৫ পৃষ্ঠা এবং শহীদ তালিকা ২,৭২৪ পৃষ্ঠা। মোট ৮৪ জন সাক্ষী করা হয়েছে। গত ১২ মে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটরের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়।

জেবি/এসএ
Logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ

মোঃ শফিকুল ইসলাম ( শফিক )

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ ৫৭, ময়মনসিংহ লেন, ২০ লিংক রোড, বাংলামটর, ঢাকা-১০০০।

ফোনঃ 02-44615293

ই-মেইলঃ dailyjanobaninews@gmail.com; dailyjanobaniad@gmail.com

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD