এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার ‘ছাগলকাণ্ডে’র সেই ইমরান

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আলোচিত ‘ছাগলকাণ্ড’-এর পর আবারও নতুন মামলায় তিনি আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হলেন।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইমরান হোসেনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মিজানুর রহমান।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রানা রায় ইমরান হোসেনকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ওইদিন আদালত শুনানির জন্য ৩ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেন। শুনানি শেষে আদালত পুলিশের আবেদন মঞ্জুর করেন।
বিজ্ঞাপন
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক তদন্তে ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। সেই কারণে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার আওতাধীন বছিলা বেড়িবাঁধ, বছিলা ব্রিজ, বছিলা চেকপোস্ট ও আশপাশের এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে বহু মানুষ আহত হন এবং হতাহতের ঘটনাও ঘটে। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. ছালেমান গুলিবিদ্ধ হন। পরে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৫ জনকে আসামি করে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
এর আগে ২০২৫ সালের ৩ মার্চ সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরদিন প্রায় ১৩৩ কোটি টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগে দায়ের করা মানি লন্ডারিং আইনের একটি মামলায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তারের পর থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ আদালতের আদেশের মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকেন্দ্রিক হত্যাচেষ্টা মামলাতেও তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হলো। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।








