জামিনে কারামুক্ত সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।
বিজ্ঞাপন
কারাগার থেকে বের হয়ে খায়রুল হক ধানমন্ডির বাসায় যাবেন বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দিয়েছিল।
নয় মামলাতেই জামিন
বিজ্ঞাপন
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তী সময়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এরপর বিভিন্ন মামলায় কারাগারে ছিলেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি। তাঁর বিরুদ্ধে মোট নয়টি মামলা রয়েছে এবং সবগুলোতেই তিনি জামিন পেয়েছেন।
এর মধ্যে বনানী থানার একটি মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট তাঁকে জামিন দেন। ওই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে ১৭ আগস্ট চেম্বার আদালত ‘নো অর্ডার’ দেন। ফলে ওই মামলায়ও তাঁর জামিন বহাল থাকে। এর পরই তাঁর কারামুক্তির আইনি বাধা দূর হয়।
সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া গ্রেপ্তার না দেখানোর নির্দেশ
বিজ্ঞাপন
খায়রুল হককে এক মামলায় জামিন দেওয়ার পর অন্য মামলায় নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে গত ১৩ মে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছিল। প্রাথমিক শুনানি শেষে ১৭ মে হাইকোর্ট রুল জারি করে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া তাঁকে গ্রেপ্তার না দেখাতে এবং হয়রানি না করতে নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এই আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল করলে আপিল বিভাগ গত ৯ আগস্ট বিষয়টি নিষ্পত্তি করেন। একই সঙ্গে হাইকোর্টে থাকা রুল দ্রুত শুনানি ও নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।
আপিল বিভাগের আদেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট আদালতের অনুমতি ছাড়া খায়রুল হক দেশত্যাগ করতে পারবেন না। তবে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া তাঁকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো বা হয়রানি না করার বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশ বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবীরা।








