১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীরের বর্জ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে জমে থাকা প্লাস্টিকসহ অন্যান্য বর্জ্য আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে বর্জ্য অপসারণের কাজ শেষ হওয়ার পর চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) একটি আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খান জিয়াউর রহমান।
আদালতের নির্দেশের আওতায় রয়েছে রাজধানীর লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার ইসলামবাগ এলাকার বুড়িগঙ্গার নদীতীর। পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান, ঢাকার জেলা প্রশাসক এবং লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বুড়িগঙ্গার পানি দূষণ বন্ধে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) একটি রিট আবেদন করলে ২০১০ সালে এ বিষয়ে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ওই রায়ে নদীর তীরে প্লাস্টিকসহ যেকোনো ধরনের বর্জ্য ফেলে রাখা নিষিদ্ধ করা হয়।
তবে আদালতের সেই নির্দেশনা কার্যকর থাকার পরও সম্প্রতি নদীর তীরে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য জমে থাকার বিষয়টি সামনে আসে।
এর আগে গত ১৯ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর থানার ইসলামবাগ এলাকায় বুড়িগঙ্গার তীরে শত শত প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য পড়ে রয়েছে। এসব বর্জ্য সময়ের সঙ্গে নদীর পানিতে মিশে দূষণ বাড়াতে পারে। এতে ২০১০ সালের হাইকোর্টের রায়ের উদ্দেশ্যও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এ পরিস্থিতিতে এইচআরপিবির পক্ষে গত ৩০ আগস্ট হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ দেন।








