Logo

সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ আমলে নিচ্ছি না: চিফ প্রসিকিউটর

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১৮:৩১
সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ আমলে নিচ্ছি না: চিফ প্রসিকিউটর
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম | ফাইল ছবি

সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে পোশাকধারী এবং সাদা পোশাকে নিরাপত্তাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন। আগেও সেখানে কঠোর নিরাপত্তা ছিল, এখনো রয়েছে। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে তারা আমলে নিচ্ছেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার কিছুক্ষণ পর দুপুর সোয়া ১টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের একটি প্রবেশপথের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারিক প্যানেলের নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী। প্যানেলের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয় আসামি হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। সাত আসামিই পলাতক।

বিজ্ঞাপন

রায়ে ওবায়দুল কাদের, নাছিম, আরাফাত, পরশ ও নিখিলের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ বাজেয়াপ্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলাটি করা হয়।

প্রসিকিউশনের বক্তব্য অনুযায়ী, আসামিদের বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনে নির্দেশনা, উসকানি, ষড়যন্ত্র, সহায়তা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনাল রায়ে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।

রায়ের পর চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে অভিযোগ ছিল এবং অধিকাংশ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি সপ্তম রায়।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD