গাজী নজরুল ইসলাম ৪ দিনের ও তার স্ত্রী ১ দিনের রিমান্ডে

রাজধানী শেরেবাংলা নগরে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামকে ৪ দিনের ও তার প্রথম স্ত্রীকে ৩১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
এরআগে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক শামসুজ্জোহা সরকার মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে গাজী নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে গাজী নজরুল ইসলামকে ৪ দিনের ও তার স্ত্রীকে ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এরআগে, মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিশ্বাস শেরেবাংলা নগর থানায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলাম ও মো. ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞাপন

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের জুন মাসে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক মরিয়মের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম মরিয়মকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এসব বিষয় মরিয়ম বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোনে জানিয়েছিলেন।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল ইসলাম ফোন করে মরিয়মের বাবাকে তার বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি অনেক লোকজনের উপস্থিতি দেখতে পান। পরে জানতে পারেন, বাসার একটি কক্ষের ভেতরে মরিয়ম ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়েছেন।
এজাহারে আরও বলা হয়, মরিয়মের বিছানার ওপর একটি হাতে লেখা ‘সুইসাইড নোট’ পাওয়া যায়। সেখানে স্বামী গাজী নজরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে বিশ্বাসভঙ্গ ও মানসিক কষ্টের কথা লেখা আছে।
বিজ্ঞাপন
মরিয়মের বাবার অভিযোগ, ওবায়দুর রহমানের প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার মেয়ের বিয়ে হয়। পরবর্তীতে নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এবং তাদের প্ররোচনায় মরিয়ম আত্মহত্যা করেছেন।








