রিমান্ড শেষে কারাগারে আখতারুজ্জামান, শুনানিতে হট্টগোল

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বপালনরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত ।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (৪ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালত এ আদেশ দেন।
এরআগে, দুপুর ২:৩০ মিনিটের দিকে আদালতের হাজতখানা থেকে আখতারুজ্জামানকে আদালতে তোলা হয়। আখতারুজ্জামান কাঠগড়ায় উঠলে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা এবং জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা একে অপরের সাথে বাকবিতন্ডায় জরায়। কিছু সময়ের মধ্যে তা ধস্তাধস্তিতে রুপ নেয়। পরে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী ও জামায়াত আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাকের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলে বিচারক আদালতে এসে বিচারকার্য শুরু করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী তাকে কারাগারে আটকের পক্ষে এবং জামিনের বিরোধিতা করে শুনানি করেন।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে আসামির পক্ষে আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাকসহ অন্য আইনজীবীরা জামিনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, বিমানবন্দর থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাজেদুল ইসলাম ১ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
পুলিশের আবেদনে বলা হয়েছে, রিমান্ডের সময়সীমা শেষ হওয়ায় আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদকালে মামলার ঘটনার বিষয়ে তিনি সত্যতা শিকার করেছেন। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
এর আগে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
পরদিন তাকে আদালতে হাজির করে বিমানবন্দর থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এক দিনের রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আদালতে সোপর্দ করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ।








