রাজধানীতে গাড়িচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু, জামিন পেলেন সেই কিশোর

রাজধানীর বারিধারায় দ্রুতগতির প্রাইভেটকারের চাপায় নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মিমের (২৪) মৃত্যুর ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ১৭ বছর বয়সী কিশোরের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শুনানি শেষে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক মো. আবদুল মোক্তাদির দুই হাজার টাকার মুচলেকায় তার জামিনের আদেশ দেন।
বিজ্ঞাপন
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শরীফ উদ্দীন মামুন জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শুনানিতে কিশোরের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশান-১২ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিজ্ঞাপন
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মিম। এ সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার ফুটপাতে উঠে তাকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
দুর্ঘটনার পর গাড়ির চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদীর ইসলাম গুলশান থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করেন। মামলায় গাড়িচালক হিসেবে আকাশ মারক নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হলেও গাড়ির চালকের আসনে থাকা কিশোরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
বিজ্ঞাপন
এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা ও ক্ষোভ তৈরি হলে ওই দিনই গুলশান থানা পুলিশ কিশোরটিকে পুনরায় হেফাজতে নেয়।








