ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের শামসুর রহমান ও সংশ্লিষ্টদের ৭ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ও সম্পাদক এম শামসুর রহমান এবং তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্টদের নামে থাকা সাতটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. শাহজাহান কবির দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
আবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে প্লেসমেন্ট শেয়ার কারসাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট, অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণপূর্বক আত্মসাৎসহ হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগটির সঙ্গে পরবর্তীতে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ও সম্পাদক এম শামসুর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচার সংক্রান্ত একটি অভিযোগ ট্যাগ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, অভিযোগের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এম শামসুর রহমানের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা হিসাবের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন, স্থানান্তর ও রূপান্তরের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দুদকের কাছে তথ্য রয়েছে। এ অবস্থায় হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করা না হলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি অভিযোগসংশ্লিষ্ট অর্থ বেহাত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
দুদকের আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত তালিকা অনুযায়ী, সিটি ব্যাংকের গুলশান শাখায় দুটি, আইএফআইসি ব্যাংকের গুলশান শাখায় একটি, মেঘনা ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় একটি, প্রিমিয়ার ব্যাংকের গুলশান শাখা ও কার্ড ডিভিশনে দুটি এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের গুলশান শাখায় একটি হিসাব রয়েছে। সাতটি হিসাবের মধ্যে ছয়টি এম শামসুর রহমানের এবং একটি রোকসানা আউয়ালের নামে।
দুদকের পক্ষ থেকে আবেদনে বলা হয়, সুষ্ঠু অনুসন্ধান ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবিলম্বে অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন। আদালত আবেদনটি বিবেচনা করে হিসাবগুলো ফ্রিজ করার নির্দেশ দেন।








