সরিষাবাড়ীতে ৩৮ দিনেও গ্রেফতার হয়নি ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামি


Janobani

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১২:১৭ অপরাহ্ন, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ২০২৪


সরিষাবাড়ীতে ৩৮ দিনেও গ্রেফতার হয়নি ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামি
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম । ফাইল ছবি

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে মামলার ৩৮ দিনেও ভাতিজিকে ধর্ষণের চেষ্টা মামলায় চাচা শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করতে পারিনি পুলিশ। তিনি উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের করগাও গ্রামের আব্দুস সবুরের ছেলে। 


রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১১ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত  ধর্ষণের চেষ্টাকারী শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতারের জন্য র‍্যাব ও গোয়েন্দা শাখা ডিবির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।  


আরও পড়ুন: সরিষাবাড়ীতে নৌকা-ঈগলের সংঘর্ষে আহত ১০


এজাহার ও পারিবারিক সুত্রে জানা যায়,  সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের করগাও গ্রামের আব্দুস সবুরের ছেলে শহিদুল ইসলাম শহিদ (৪২) তার ১৬ বছর বয়সী ভাতিজী দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর দিকে  কু নজর দিয়ে বিভিন্ন নানা অঙ্গ ভঙ্গি করত। ২০২৩ সালের ৯ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২ টায় ভাতিজী প্রকৃতির ডাকে বাইরে বের হলে চাচা শহিদ ভাতিজীর মুখে গামছা বেধে পাজা কোলে নিয়ে পুকুরের পাড়ে বাশ ঝাড়ের নিচে সরিষার খেতে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর হাত দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে।  পরে ১৪ ডিসেম্বর বিশয়টি নিয়ে ভিকটিম লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে আজ না কাল বলে বিবাদীর সাথে সমঝোতা করে মোবাইল বন্ধ রাখার শর্ত দিয়ে সময় কাল ক্ষেপন করে তদন্তকারী কর্মকর্তা।  পরে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা শুরু হলে ২৯ ডিসেম্বর  ভিকটিম (১৬)  কে বাদী বানিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধিত ২০২০ এর জোর পুর্বক যৌন সঙ্গম করার অপরাধে ৯(৪)(খ) ধারায় থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়। মামলা দায়েরের ৩৮ দিনেও আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। 


এদিকে ভিকটিমের বাবা শামছুল হক জানান,  আমার মেয়ের সাথে যে ঘটনা ঘটেছে তা বলতে পারব না। ১৪ তারিখে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল কিন্তু রেকর্ড নেয় নাই। পরে বিভিন্ন চাপে ২৯ তারিখে ডেকে নিয়ে আবারো অভিযোগ নিয়ে মামলা রেকর্ড করেছে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।  পুলিশ আজও আসামি ধরতে পারে নাই। 


আরও পড়ুন: সরিষাবাড়ী থানা হাজতে আসামির মৃত্যু


এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, আসামী গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে 


এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মুশফিকুর রহমান জানান, মামলা যেহেতু হয়েছে আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত হয়েছে। ডিসেম্বরের ১৪ তারিখে অভিযোগ দিয়েছিল কিন্তু সেটা মামলা না নিয়ে ২৯ তারিখে আবারো ২য় বারের মত লিখিত অভিযোগে কেন মামলা নেওয়া হলো প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,  আগে পরে বিষয় না। মামলা তো রেকর্ড হয়েছে।  


আরএক্স/