Logo

কলেজ ছাত্র সিজুর হত্যার অভিযোগে ওসিসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
২২ আগস্ট, ২০২৫, ০৪:২৭
কলেজ ছাত্র সিজুর হত্যার অভিযোগে ওসিসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
ছবি: সংগৃহীত

কলেজ ছাত্র সিজুর হত্যার অভিযোগে ওসিসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বিজ্ঞাপন

‎গাইবান্ধার সদরের কলেজ ছাত্র সিজু হত্যার অভিযোগে গাইবান্ধার সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলমসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে গাইবান্ধার সাঘাটা আমলী আদালতের মামলা করেছেন নিহত সিজুর মা রিক্তা বেগম। মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত ।

‎বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সাঘাটা আমলী আদালতের বিচারক পাপড়ী বড়ুয়া এ আদেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

‎বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাঈদ আল আসাদ।

বিজ্ঞাপন

‎মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ২৪ জুলাই বিকেলে গাইবান্ধা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিস চত্বর থেকে সিজুকে সাঘাটা থানায় ডেকে নেয় পুলিশ। থানায় নির্যাতনের পর মৃতপ্রায় সিজুকে থানা সংলগ্ন পুকুরে ফেলে দেয়া হয়। পরে পুকুরে লাঠি দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। পরের দিন সকালে ওই পুকুর থেকে সিজুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‎বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাহিদ হাসান জানান, বাদী পক্ষের আইরজীবীদের শুনানি গ্রহণ করে আদালতের বিচারক পাপড়ী বড়ুয়া মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এবং মামলাটি তদন্ত করার জন্য সিআিইডকে নির্দেশ দেন।

বিজ্ঞাপন

‎মামলার বাদী নিহত সিজুর মা রিক্তা বেগম জানান, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি আদালতে মামলা করেছি। ছেলে হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।

বিজ্ঞাপন

‎নিহত সিজু মিয়া (২৫) গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারি ইউনিয়নের বাগুরিয়া গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে এবং গিদারি ইউনিয়ন ছাত্র শিবিরের সভাপতি ছিলেন ও ডিগ্রী ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন ৷

বিজ্ঞাপন

‎উল্লেখ্য, পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত  ২৪ জুলাই রাত দশটার দিকে গাইবান্ধার সাঘাটা থানায় ঢুকে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মহসিন আলীকে ছুরিকাঘাত করে পুকুরে ঝাঁপ দেয় সিজু মিয়া। পরদিন শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাঘাটা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের পুকুরের কচুরিপানার মধ্য থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অজ্ঞাতনামা হিসেবে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সেই দিনই গাইবান্ধা পুলিস সুপারের কর্যালয় ঘেরাও করে এলাকাবাসি৷ ঘটনাটি তদন্তে চলতি মাসের প্রথম দিকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল।  

বিজ্ঞাপন

কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জ অপর সদস্যদ্বয় হলে মোছা: রুনা লায়না অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম ম্যানেজম্যান্ট ডিাইজি রংপুর রেঞ্জ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: শরিফুল ইসলাম৷  তবে তদন্তের কোনো অগ্রগতি না থাকার অভিযোগে ও সিজু হত্যার জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় নিহতের মা ঘটনার প্রায় মাস খানেক পরে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

এসএ/

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD