আ.লীগের মতো জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধ চায় জামায়াতে ইসলামী
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬:৫৪ পিএম, ৩১শে আগস্ট ২০২৫

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগের মতো জাতীয় পার্টিকের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে।
রবিবার (৩১ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর জামায়াতের নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এই মন্তব্য করেন।
ডা. তাহের বলেন, “জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রেও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের মতো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যেতে পারে।”
ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলা ন্যক্কারজনক। তিনি বলেন, “দুঃখজনক বললেই শেষ নয়। এর সঙ্গে যে ষড়যন্ত্র জড়িত, তা গভীর। যারা জড়িত তাদের শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।”
ডা. তাহের আরও বলেন, “আওয়ামী লীগের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে জাতীয় পার্টি। তাই আওয়ামী লীগের বিষয়ে যেই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে, তা জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।”
এর আগে বিকেল সোয়া ৪টায় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন জামায়াতে ইসলামীর চার সদস্যের প্রতিনিধি দল। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের। দলের অন্য সদস্যরা ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এবং সাবেক এমপি ড. হামিদুর রহমান আযাদ।
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের উপরে যেভাবে হামলা হয়েছে তা ন্যক্কারজনক, দুঃখজনক বলাতে কাভার করে না। নুরের ওপরে হামলা হয়েছে, এর ষড়যন্ত্র গভীরে। এর সঙ্গে যারা যারা জড়িত তাদের শনাক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলে আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে জানিয়েছি।
এর আগে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করতে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে প্রবেশ করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দল।
দলটির নায়েবে আমির সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও ড. হামিদুর রহমান আযাদ (সাবেক এমপি)।
আরএক্স/