সাংগঠনিক মানোন্নয়নে ধারাবাহিক কাজের অঙ্গীকার জিয়া পরিষদ-ঢাকা মহানগর কমিটির

জিয়া পরিষদ-ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হাসান রতনের সক্রিয় নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যক্রমে গতিশীলতা এসেছে।
বিজ্ঞাপন
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহানগরের ৫০টি থানার মধ্যে ইতোমধ্যেই ৪৫টিতে জিয়া পরিষদের কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে নিয়মিত সভা, সাংগঠনিক বৈঠক, সদস্য সংগ্রহ অভিযান এবং সামাজিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
মহানগর সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হাসান রতন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে অবস্থান ছিলো। প্রতিটি দলীয় প্রোগ্রামে মহানগর জিয়া পরিষদ ব্যানার নিয়ে আমরা উপস্থিত থাকতাম। সেই সময় থেকেই আমি ও সভাপতি নিয়মিতভাবে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে প্রতিটি কমিটি মাঠে সক্রিয় রয়েছে। গণমাধ্যমের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নিবিড় না হওয়ায় কার্যক্রম প্রত্যাশিতভাবে প্রচারিত হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যম একটু বেশি ফলোআপ করলে জিয়া পরিষদের কার্যক্রমের প্রকৃত ছবি জনগণের কাছে সহজে পৌঁছাবে।
কমিটির নেতারা মনে করছেন, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সরাসরি তদারকিতে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী হচ্ছে। নেতৃত্বের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা সংগঠনে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছে। ধারাবাহিক মতবিনিময় সভার মাধ্যমে মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা তৃণমূলের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা এনেছে।
বিজ্ঞাপন
তৃণমূলের অনেক কর্মী জানান, আগের তুলনায় এখন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা বেড়েছে। নিয়মিত কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে সংগঠন আবারও মাঠমুখী হয়ে উঠেছে। তারা আশা করছেন, এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে জিয়া পরিষদ ঢাকা মহানগরে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
জিয়া পরিষদ-ঢাকা মহানগর কমিটি বিএনপির সহযোগী সংগঠন এবং এটি মূলত বুদ্ধিবৃত্তিক ও বুদ্ধিজীবীদের সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম। সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হাসান রতন জানান, সংগঠন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর হাতকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সকলেই দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে অবস্থান করছেন।
নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেছেন, সাংগঠনিক মানোন্নয়ন ও নিয়মিত মাঠ কার্যক্রম বজায় থাকলে জিয়া পরিষদ-ঢাকা মহানগর কমিটি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে আরও দৃঢ় অবস্থান গড়ে তুলবে।








