রাজধানীতে চালের দাম কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে চাল ও ডালের দাম লক্ষণীয় হারে বেড়েছে। বিশেষ করে দেশি ছোট দানা মসুর ডালের দাম সপ্তাহে প্রায় ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন চাল বাজারে আসার আগে পুরোনো চালের কেজি দামও ৩ থেকে ৫ টাকা বেড়ে সাধারণ ভোক্তাদের জন্য অস্বস্তির সৃষ্টি করেছে।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (9 জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৮৩ থেকে ৮৪ টাকা, রশিদ মিনিকেট ৭৫ টাকা, নন-ব্র্যান্ড মিনিকেট ৭০ টাকা এবং দামি মিনিকেট মোজাম্মেল ৮৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নাজিরশাইল চালের দামও দেশি ধরণে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা, আমদানি চাল ৭৫ থেকে ৭৮ টাকায় পৌঁছেছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, সাধারণত নতুন আউশ, আমন ও নাজিরশাইল চাল বাজারে আসার পর পুরোনো চালের দাম ১ থেকে ২ টাকা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু এবার নতুন চাল আসার আগেই দাম বেড়ে গেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন চাল বিক্রি শুরু হলে পুরোনো চালের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা আছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: ভারত থেকে ডিজেল কিনবে সরকার
সবজির বাজারেও কিছু পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। মুলা প্রতি কেজি ২৫–৩০ টাকা, শালগম ৩০–৪০ টাকা, গোল ও লম্বা বেগুন ৩০–৪০ টাকা, শিম ও মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা। ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস ৩০–৪০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, দেশি গাজর ৪০ টাকা, কাঁচা কলা ৪০ টাকা, ছোট লাউ ৪০–৫০ টাকা। পাকা টমেটো এখনো ৯০–১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০০–১২০ টাকা, মটরশুঁটির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে ১০০ টাকা।
বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, চালের দাম বৃদ্ধি মূলত নতুন চাল আসার আগের পরিস্থিতি এবং ডিম্যান্ড-সাপ্লাই বৈষম্যের কারণে। সাধারণ ভোক্তাদের জন্য এই সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি প্রভাব ফেলতে পারে।








