ঈদের আগে ১২ মার্চের মধ্যে বোনাস পরিশোধের নির্দেশ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শ্রমিকদের ঈদ বোনাস আগামী ১২ মার্চের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বকেয়া বেতন সর্বোচ্চ সাত কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধ করতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) ৯৪তম সভা এবং তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতসংক্রান্ত ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের ২৩তম সভায় এ নির্দেশনা দেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভা শেষে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সামগ্রিক শ্রম পরিস্থিতি, আরএমজি খাতে শ্রম অসন্তোষ নিরসনে করণীয় এবং ঈদ উপলক্ষে কলকারখানার শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ ও ছুটি সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের বকেয়া বেতন সাত কর্মদিবসের মধ্যে এবং ঈদ বোনাস ১২ মার্চের মধ্যেই পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিক ও মালিকপক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনোভাবেই যেন জনভোগান্তি সৃষ্টি না হয়।
তিনি আরও জানান, যৌক্তিক কারণ ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের লে-অফ বা ছাঁটাই করা যাবে না। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাধারণ ছুটির প্রজ্ঞাপনের পাশাপাশি বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী মালিক ও শ্রমিকপক্ষের আলোচনার মাধ্যমে ঈদের ছুটি নির্ধারণ করতে হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) মাহদী আমিন, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন-এর ফজলে শামীম এহসান এবং টিসিসির সহ-সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন।
বিজ্ঞাপন
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশীয় ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সময়মতো বেতন-ভাতা পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কোনো শ্রম অসন্তোষ সৃষ্টি না হয়।
এদিকে শ্রমিক প্রতিনিধিরা ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সব কলকারখানায় বকেয়া বেতন-ভাতা দ্রুত পরিশোধের দাবি জানান। পাশাপাশি নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাসে উন্নীত করার প্রস্তাবও উত্থাপন করা হয়।








