বিশ্ববাজারে ফের ঊর্ধ্বমুখী জ্বালানি তেলের দাম

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন করে সামরিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে আবারও চড়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ০.৫৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬.৮০ ডলারে উঠেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ০.৭২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২.১৪ ডলারে পৌঁছেছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনটি জাহাজ এবং অনুমোদনহীন পথে চলাচলকারী তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ইরানি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় দেশটির তিনটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার ধ্বংস হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তবে ওয়াশিংটনের বক্তব্য ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ওই অঞ্চলে থাকা ইরানি যুদ্ধজাহাজগুলোর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের জবাব হিসেবেই তারা সামরিক অভিযান চালিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। ফলে সেখানে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়। আর সেই আশঙ্কাই তেলের বাজারে নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত শুরুর পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ইতোমধ্যে ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সামরিক উত্তেজনা আরও দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে। এর প্রভাব শুধু তেলের বাজারেই নয়, পরিবহন ব্যয় ও সামগ্রিক বিশ্ব অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।








