মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না: শিক্ষামন্ত্রী

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদে দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, নিয়োগসংক্রান্ত একের পর এক মামলার কারণে শিক্ষা খাতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদীন ফারুকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি শিক্ষক নিয়োগে চলমান আইনি জটিলতার বিষয়টি তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, সাড়ে ২৬ হাজার নয় এরপর আরো ২ হাজার ৬০০, ১৭ হাজার—এই শিক্ষক নিয়োগের বিভিন্ন মামলা জটিলতার কারণে নিরসন করতে পারছি না। এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছি ৪ হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার প্রথম সপ্তাহ থেকে আদালত পাড়ায় এই মামলার জটিলতা নিরসনের জন্য চেষ্টা করছি। কিন্তু জানি না এখন পর্যন্ত আদালতের অ্যাপিলেট ডিভিশন থেকে কোনো কসলিস্টে এগুলো আসছে না। সারাদেশে এই শিক্ষকের অভাবের কথা সবাই বলেছেন।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, শুধু এগুলোও নয় এনটিআরসিএ-কলেজের প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ মামলার জটিলতার কারণে ঝুলে আছে। সেখানেই শেষ নয়, প্রতিটি প্রাথমিক স্কুলে দপ্তরি-নৈশপ্রহরীর নিয়োগও মামলার কারণে আটকে আছে। আমরা যদি মামলার পরিসংখ্যান দেখি, তাহলে হাজার হাজার মামলা দেখতে পারছি।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ইতোমধ্যে আরও ৩৩ হাজার প্রতিষ্ঠান প্রধান পদ খালি হয়েছে। মাননীয় স্পীকার আপনি ভেবে দেখুন, যারা এখনো প্রধান শিক্ষক (হেড মাস্টার) হতে পারেননি, তারা অবসরে চলে যাচ্ছেন। যারা অবসরে চলে যাচ্ছেন, তারা প্রধান শিক্ষক পদে প্রমোশন পাচ্ছেন। আপ্রাণ চেষ্টা করার পরেও মামলার জটিলতার কারণে এ সমস্যার নিরসন হচ্ছে না।








