Logo

শিক্ষাখাতে জিপিইর আরও অর্থায়ন চাইলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২০:০৬
শিক্ষাখাতে জিপিইর আরও অর্থায়ন চাইলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক শিক্ষার চলমান সংস্কার ও নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়নে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই) থেকে আরও অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের ইকোসক চেম্বারে জিপিই আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন ‘Multiply Possibility: A New Era for Education Financing’-এ অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সাইডলাইনে ইতালি ও নাইজেরিয়ার জাতিসংঘে স্থায়ী মিশন এবং জিপিই যৌথভাবে সম্মেলনটি আয়োজন করে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সম্মেলনে ববি হাজ্জাজ বলেন, শুধু শিশুদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য নয়; শ্রেণিকক্ষে তাদের প্রকৃত শিখনফল এবং ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতা নিশ্চিত করাই এখন গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সম্মেলনের সাইডলাইনে জিপিইর ডেপুটি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চার্লস নর্থের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিমন্ত্রী। সেখানে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষা সংস্কার, শিক্ষক উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং এবং শিশুদের শিখনফল বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এসব কার্যক্রমে জিপিইর অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে জিপিইর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতের অগ্রাধিকার ও চলমান উদ্যোগের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

ববি হাজ্জাজ জিপিইর সিইও লরা ফ্রিজেন্টি ও ডেপুটি সিইও চার্লস নর্থকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। তাদের সফরের মাধ্যমে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতের অগ্রাধিকার, চলমান সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো সরেজমিনে পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে শিক্ষায় টেকসই অর্থায়ন বাড়ানো, উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদার এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন বিনিয়োগ ও প্রতিশ্রুতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ২৩ সেপ্টেম্বরের এই আয়োজনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, শিক্ষামন্ত্রী, আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, সুশীল সমাজ, ফাউন্ডেশন ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বাংলাদেশ ২০২৬ সালে জিপিইর কাছ থেকে ৯৮ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অনুদান নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে শিক্ষক উন্নয়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সম্প্রসারণে অর্থায়নের বিষয় রয়েছে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD