ভারতে থাকতে হলে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে ইমরানকে

ভারতে বসবাসের অনুমতি অব্যাহত রাখার বিষয়ে আইনি অনিশ্চয়তায় পড়েছেন অভিনেতা ইমরান খান। দেশ ছাড়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার (২ নভেম্বর) মামলার শুনানিতে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতিরা।
বিজ্ঞাপন
শুনানিতে আদালত স্পষ্ট করেছে, কেবল হলফনামা দাখিল করলেই মামলার বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে না। ভারতে থাকার অনুমতি পেতে হলে অভিনেতাকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে বলে জানিয়েছে বেঞ্চ।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
আদালতে ইমরান দাবি করেন, বিতর্কিত প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজকদের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক ছিল না। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে হলফনামা জমা দিতেও রাজি হন তিনি। একই সঙ্গে ভারতে বসবাসের অনুমতি বহাল রাখার আবেদন জানান অভিনেতা।
বিজ্ঞাপন
কিন্তু তার এই বক্তব্য ও প্রস্তাবে সন্তুষ্ট হয়নি আদালত। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, হলফনামা দাখিল করাকে যথেষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইমরানের কাছ থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রত্যাশা করছে আদালত।
শুনানিতে বিচারপতিরা আরও মন্তব্য করেন, কোনো ভারতীয় নাগরিক বিদেশে গিয়ে একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তাকে পরবর্তী বিমানেই দেশে ফেরত পাঠানো হতো। দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করা ইমরান এত বছর পর কেন হঠাৎ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, সেই প্রশ্নও তুলেছে বম্বে হাইকোর্ট।








