৪৮তম বিশেষ বিসিএসে নিয়োগ পেলেন ৩২৬৩ চিকিৎসক

৪৮তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষা–২০২৫-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন স্বাস্থ্য ক্যাডারে মোট ৩ হাজার ২৬৩ জন চিকিৎসককে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞাপন
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) গত ২৯ সেপ্টেম্বর ও ২৭ অক্টোবর পাঠানো সুপারিশপত্রের আলোকে এই নিয়োগ কার্যকর করা হয়েছে। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জাতীয় বেতন স্কেল–২০১৫ অনুযায়ী ২২ হাজার টাকা থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা পর্যন্ত বেতন পাবেন।
নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অথবা সরকার নির্ধারিত কোনো প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে কর্মস্থল অনুযায়ী পেশাগত ও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের দুই বছর শিক্ষানবিশকাল পালন করতে হবে, যা প্রয়োজনে সরকার আরও সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত বাড়াতে পারবে।
বিজ্ঞাপন
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, শিক্ষানবিশকালীন সময়ে কোনো কর্মকর্তা চাকরির জন্য অযোগ্য বিবেচিত হলে, কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে। বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে শেষ করতে পারলে তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিতে বহাল করা হবে।
ইস্তফা সংক্রান্ত বিধানে বলা হয়েছে, সরকারের অনুমতি ছাড়া দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে সরকারের পাওনা অর্থ আদায় করা হবে এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা–২০১৮ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের ফলাফলের ভিত্তিতেই কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে।
নিয়োগের পর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিরূপ বা ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেলে কর্তৃপক্ষ নিয়োগ আদেশ সংশোধন বা বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে। এ ছাড়া কোনো কর্মকর্তা বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করলে বা এ বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকলে তার নিয়োগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে।
বিজ্ঞাপন
চাকরিতে যোগদানের সময় ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে যৌতুক গ্রহণ ও প্রদান না করার অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। পাশাপাশি যোগদানের সময় এবং পরবর্তী নির্ধারিত মেয়াদে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির বিবরণী জমা দিতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সনদ যাচাইয়ে জাল প্রমাণিত হলে নিয়োগ বাতিলের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাকরিতে যোগদানের জন্য কোনো ভ্রমণ বা দৈনিক ভাতা দেওয়া হবে না বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সব শর্ত পূরণ করে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে নির্ধারিত কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে নিয়োগ আদেশ বাতিল হবে।








