তিন মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী তিন মাসের মধ্যেই চালু করা হবে ডিজিটাল হেলথ কার্ড, যেখানে একজন রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত সব তথ্য সংরক্ষিত থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, এই কার্ড হবে একটি বিজ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল ব্যবস্থা, যেখানে রোগীর জিনগত তথ্য থেকে শুরু করে পূর্বের চিকিৎসা ইতিহাস, কোন চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিয়েছেন—সবকিছু সংরক্ষিত থাকবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও জানান, দেশের যেকোনো প্রান্তে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হলে রোগীকে আর নিজের রোগের ইতিহাস মুখে বলতে হবে না। হেলথ কার্ড দেখেই চিকিৎসক প্রয়োজনীয় তথ্য বুঝতে পারবেন এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে পারবেন।
সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এসব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে তা বিস্তৃত করা হবে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বিশেষ সুবিধা হিসেবে কৃষিঋণের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ মওকুফের কথাও তুলে ধরেন তিনি। আগামী মাসের মধ্যেই কৃষকদের জন্য আলাদা ‘কৃষক কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান।
সরকারের জবাবদিহিতা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার বিষয়টি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের কল্যাণে কাজ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি দাবি করেন, পূর্ববর্তী সরকার সমাজকল্যাণ খাতে পর্যাপ্ত তহবিল না রাখলেও বর্তমান সরকার বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়নে বরাদ্দ দিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এম এ মুহাইমিন আল জিহান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সজিব মিয়া, শাহিনুল ইসলাম, আমিনুর রহমান সরকার দোলন, মাসুদুর রহমান সোহাগ ও ভিপি মোস্তফা মিয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী উপজেলার ২৮২ জন অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে ঈদের অনুদান বিতরণ করেন।








