পাকিস্তানে একযোগে ১২ স্থানে সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ৪৭

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের ১২টি স্থানে একযোগে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ১০ সদস্য নিহত হয়েছেন। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, অভিযানের সময় ৩৭ জন সন্ত্রাসীও নিহত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।
পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর এক সূত্র বলেছে, ভারতের মদদপুষ্ট ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ গোষ্ঠীর সদস্যরা বেলুচিস্তানজুড়ে ১২টি স্থানে হামলা চালিয়েছে। তবে, সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে তাদের সব হামলাই ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ডিআর কঙ্গোর খনি ধসে নিহত অন্তত ২২৭
বিজ্ঞাপন
ওই সূত্র বলেছে, ফিতনা আল হিন্দুস্তানের সঙ্গে যুক্ত ৩৭ জন সন্ত্রাসীকে ‘নরকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
দেশটির অপর এক নিরাপত্তা সূত্র বলেছে, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের ১০ সদস্য নিহত হয়েছেন।
এদিকে রেডিও পাকিস্তানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান ও সংঘর্ষ এখনও চলছে। এতে বলা হয়, এই অভিযানে আরও কয়েকজন সন্ত্রাসীর হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
আরেকটি নিরাপত্তা সূত্র বলেছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় বেলুচিস্তানে মোট ৮৮ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলুচিস্তানের হারনাই ও পাঞ্জগুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে অন্তত ৪১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।
বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমবিষয়ক বিশেষ সহকারী রিন্দ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, গত দুই দিনে প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৭০ জনের বেশি সন্ত্রাসী নিহত হওয়ার পরপরই এসব হামলা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ডন বলছে, হামলার পর কুয়েটা, সিবি ও চামানে মোবাইল ফোন সেবা চালু থাকলেও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বেলুচিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী মীর জহুর আহমেদ বুলেদি সরকারি সম্পদের ক্ষতি এবং নাগরিকদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, এই সহিংসতার সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা বেলুচিস্তানকে জিম্মি করতে পারবে না। জনগণের সমর্থনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সন্ত্রাসীদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে।








