ইরানের পক্ষ নিলো হুথি, অন্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিলে সরাসরি যুদ্ধের হুমকি

ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল জোটের চলমান সংঘাতে নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই যুদ্ধে যৌথ বাহিনীর পক্ষে অন্য কোনো দেশ যুক্ত হলে অস্ত্র হাতে সরাসরি যুদ্ধে নামবে তারা। ইরান ও প্রতিরোধ অক্ষের বিরুদ্ধে কোনো দেশ সামরিক অভিযান চালালে হুথিরা সরাসরি হস্তক্ষেপে প্রস্তুত বলেও সতর্ক করেছে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৮ মার্চ) ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ধর্মীয় ও নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে তারা এই অবস্থান নিয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানসহ সমগ্র মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে যে আগ্রাসন চালাচ্ছে, তা প্রতিহত করতে তারা সক্রিয় রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই আগ্রাসনের উদ্দেশ্য ইসরায়েলের ভৌগোলিক সম্প্রসারণ ঘটিয়ে তথাকথিত গ্রেটার ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক মানচিত্র পুনর্গঠন করা।
বিজ্ঞাপন
ইয়েমেনি বাহিনী দাবি করেছে, তারা ন্যায়সংগত প্রতিরোধের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আঞ্চলিক জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের পক্ষপাতী। একই সঙ্গে তারা উল্লেখ করেছে, তাদের সামরিক লক্ষ্য কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী; কোনো মুসলিম জনগণ তাদের লক্ষ্যবস্তু নয়।
হুথি বিদ্রোহীদের প্রতিশ্রুতি:
১) মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সাড়া দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সশস্ত্র সংগঠনটি।
বিজ্ঞাপন
২) ফিলিস্তিন, লেবানন, ইরান ও ইরাকে মুসলিম দেশগুলোর বিরুদ্ধে আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধ করা এবং ইয়েমেনের অবৈধ অবরোধ তুলে নেওয়া।
৩)গাজা চুক্তি বাস্তবায়ন ও ফিলিস্তিনিদের মানবিক অধিকার নিশ্চিত করা।
বিজ্ঞাপন
বিস্তারিত পড়ুন জনবাণীর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলের লিংকে
এছাড়া নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি থাকবে:
বিজ্ঞাপন
১)অন্য কোনো মিত্রের মার্কিন ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া।
২) লোহিত সাগর ব্যবহার করে মুসলিম দেশ ও ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক অভিযান চালানো।
৩) ইরান ও প্রতিরোধ অক্ষের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ অব্যাহত থাকা।
বিজ্ঞাপন
বাহিনী পুনরায় জোর দিয়ে বলেছে, আমাদের সামরিক অভিযান কেবল ইসরায়েল ও মার্কিন শত্রুকে লক্ষ্য করে, মুসলিম জনগণকে নয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি








