মোজতবা খামেনি হয় মৃত নয়তো সংকটময় অবস্থায় : ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি হয় মারা গেছেন, নয়তো গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আছেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ইরানে কার্যত কোনো নেতা নেই।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডার মিয়ামিতে ‘ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ প্রায়োরিটি’ ফোরামের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ ইরানের নেতৃত্ব ও প্রতিরক্ষা ক্ষমতা বিশৃঙ্খল করে দিয়েছে। তাদের নেতারা সকলেই ধ্বংসপ্রাপ্ত। তাদের সর্বোচ্চ নেতা আর নেই, তিনি মারা গেছেন; তার ছেলে হয় মারা গেছেন, নয়তো খুবই খারাপ অবস্থায় আছেন।”
ট্রাম্প আরও বলেন, “ইরানের নৌবাহিনী বলে আর কিছু নেই, পুরো নৌবাহিনী উপসগারে ডুবে গেছে। তাদের বিমানবাহিনী সম্পূর্ণ মৃত। তাদের যুদ্ধবিমান ধ্বংস এবং সামরিক যোগাযোগের সক্ষমতাও ধ্বংস হয়ে গেছে।
বিজ্ঞাপন
“এখন আমরা তাদের অস্ত্রের মজুত ধ্বংস করছি। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরির কারখানাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনভাবে এসব ধ্বংস করা হচ্ছে যা কোনো দিন কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। তাদের প্রতিরক্ষা শিল্প বলতে আর কিছুই থাকবে না।”
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘর্ষের প্রথম দিনেই মোজতবা খামেনির বাবা এবং সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। ওই হামলায় আঘাত পায় আয়াতুল্লাহর পরিবার এবং মোজতবা খামেনির স্ত্রী। মোজতবা নিজেও আহত হন।
বিজ্ঞাপন
মোজতবা আহত থাকা অবস্থাতেই তাকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচন করে ইরান। মার্কিন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে একাধিক ইরানি সূত্রে জানা গেছে, মোজতবা পায়ে আঘাত পেয়েছেন এবং সেই আঘাত প্রাণঘাতী নয়।
যুদ্ধের দ্বাদশ দিনে, অর্থাৎ ১২ মার্চ, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আমন্ত্রণে রুশ সামরিক বিমানে চেপে মস্কো যান মোজতবা খামেনি। বর্তমানে তিনি মস্কোর এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সূত্র : এএফপি
বিজ্ঞাপন








