Logo

বিয়েতে এক পদের বেশি খাবার না রাখার নির্দেশ

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২:১৩
বিয়েতে এক পদের বেশি খাবার না রাখার নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় পাকিস্তানজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারি ব্যয় কমানো ও জ্বালানি সাশ্রয়ে বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সরকার।

বিজ্ঞাপন

নতুন বিধিনিষেধের আওতায় সরকারি গাড়িতে জ্বালানি ব্যবহারের কোটা ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি অর্থে নতুন গাড়ি কেনা বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও জরুরি সেবার যানবাহন এ সিদ্ধান্তের আওতামুক্ত থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিকভাবে এসব বিধিনিষেধ ঘোষণা করে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বলেন, বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ না দিয়ে সরকার ও উচ্চবিত্তদের আগে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক অনুষ্ঠানেও সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, রাত ৯টার মধ্যে দোকানপাট, মার্কেট ও শপিংমল বন্ধ করতে হবে। বিয়ের হল ও অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান রাত ১০টার মধ্যে এবং রেস্তোরাঁ ও ক্যাফে রাত ১১টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অপচয় কমাতে বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথিদের জন্য এক পদের বেশি খাবার পরিবেশন করা যাবে না। তবে ফার্মেসি, হাসপাতাল, পেট্রোল পাম্প ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবার মতো জরুরি প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সময়সীমার বাইরে থাকবে।

এ ছাড়া আগামী তিন মাস সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে বিদেশ যেতে হলে তাদের বিমানের ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণ করতে হবে। জ্বালানি ব্যয় কমাতে সরকারি দপ্তরের সভাগুলোও অনলাইনে আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তানের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হয়ে ওঠে। দেশটি প্রয়োজনীয় তেলের বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে আমদানি করে। চলমান যুদ্ধের কারণে ওই রুটে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় পাকিস্তানে পেট্রোল ও ডিজেলের দামও রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বিজ্ঞাপন

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এর আগেও পাকিস্তান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিল। মার্চে স্কুল বন্ধ রাখা এবং জাতীয় দিবসের প্যারেড বাতিলের মতো সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছিল।

সূত্র: ফার্স্টপোস্ট

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD