Logo

মাকড়সা সম্পর্কে জানুন ৫ মজার তথ্য

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
৫ জুলাই, ২০২৬, ১৭:০২
মাকড়সা সম্পর্কে জানুন ৫ মজার তথ্য
ছবি: সংগৃহীত

মাকড়সা দেখলে অনেকেই ভয় পেয়ে যান। মাকড়সা ও এ ধরনের অ্যারাকনিড প্রাণীর প্রতি অযৌক্তিক ও তীব্র ভীতিকে বলা হয় অ্যারাকনোফোবিয়া (Arachnophobia)। এই ভীতি কাটাতে সাধারণত এক্সপোজার থেরাপি ব্যবহার করা হয়, যেখানে ধীরে ধীরে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মাকড়সার ছবি বা বাস্তব মাকড়সার সঙ্গে পরিচিত করানো হয়।

বিজ্ঞাপন

তবে ভয় নয়, মাকড়সা সম্পর্কে জানলে মিলবে অনেক চমকপ্রদ তথ্য। জেনে নিন এমনই পাঁচটি তথ্য।

১. মাকড়সা পতঙ্গ নয়

অনেকে মাকড়সাকে পতঙ্গ মনে করলেও বাস্তবে এটি পতঙ্গের অন্তর্ভুক্ত নয়। মাকড়সা অ্যারাকনিডা শ্রেণির অ্যারানি বর্গের সদস্য। পতঙ্গের ছয়টি পা থাকলেও মাকড়সার পা আটটি। এছাড়া এর শরীর দুই ভাগে বিভক্ত এবং এতে অ্যানটেনা বা পাখা থাকে না।

বিজ্ঞাপন

২. মাকড়সার জাল অত্যন্ত শক্ত ও নমনীয়

মাকড়সার জাল অনেক দূর পর্যন্ত প্রসারিত হতে পারে, কিন্তু সহজে ছিঁড়ে যায় না। এর স্থিতিস্থাপকতা স্টিলের তুলনায়ও বেশি। বিশেষ ধরনের চলাফেরার কৌশল এবং শরীরের বিশেষ রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যের কারণে মাকড়সা নিজের জালে নিজেই আটকে যায় না।

৩. প্রায় ৫০ হাজার প্রজাতির মাকড়সা রয়েছে

বিজ্ঞাপন

বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ হাজার প্রজাতির মাকড়সার সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে তাদের দৃষ্টিশক্তি খুব তীক্ষ্ণ নয়। দূরের বস্তু তারা স্পষ্টভাবে দেখতে পারে না। তাই দূর থেকে মানুষকে সহজে শনাক্ত করাও তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না।

৪. বিশেষ তরলের চাপে চলে তাদের পা

অধিকাংশ প্রাণী চলাফেরার জন্য পেশির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু মাকড়সার চলাচলের ধরন ভিন্ন। শরীরের ভেতরে থাকা বিশেষ তরলের চাপ বা ‘হাইড্রোলিক পাওয়ার’-এর মাধ্যমে তারা পা নড়াচড়া করে।

বিজ্ঞাপন

৫. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ

মাকড়সা ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যদি মাকড়সা না থাকত, তাহলে অনেক পোকামাকড়ের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যেত। তাই প্রকৃতির জন্য মাকড়সা একটি উপকারী প্রাণী।

জেবি/এইচআর/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD