সেরা সি-ফুড প্রশিক্ষকের সম্মাননা পেলেন হাসিনা আনছার

‘আন্তর্জাতিক শেফ ডে ২০২৬’ উপলক্ষে ‘সেরা সি-ফুড প্রশিক্ষক’ হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন রন্ধনশিল্পী ও প্রশিক্ষক হাসিনা আনছার। সোমবার (২০ অক্টোবর) ঢাকার ধানমন্ডির একটি রেস্টুরেন্টে শেফ ইউনিটি বাংলাদেশ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
রন্ধনশিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অনুষ্ঠানে ২০টি ক্যাটাগরিতে দেশের সেরা শেফ ও প্রশিক্ষকদের পুরস্কৃত করা হয়। এর মধ্যে ‘সেরা সি-ফুড ট্রেইনার’ ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পান নাহার কুকিং ওয়ার্ল্ডের স্বত্বাধিকারী হাসিনা আনছার। তিনি শেফ ইউনিটি বাংলাদেশের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন শেফ ইউনিটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. মুরাদ দেওয়ান এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হায়দার শিকদার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হামদর্দ বাংলাদেশের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস কে নূর ফুড প্রডাক্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু তাহের, পারফেক্ট ইলেকট্রনিক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম শাহরিয়ার কবির, এসএএডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. লিটন আকন্দ, সেভোরিয়ার এক্সিকিউটিভ শেফ জাহাঙ্গীর আলম রাজু, নেসলের মার্কেটিং ও কনজিউমার কমিউনিকেশন বিভাগের ব্যবস্থাপক ফারিয়া ইসলাম, আলোকিত নারী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি শারমিন সেলিম তুলি এবং সায়েম ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. গোলাম সারোয়ার শামীম।
বিজ্ঞাপন
সম্মাননা পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় হাসিনা আনছার বলেন, রন্ধনশিল্প একটি সম্ভাবনাময় খাত। এ শিল্পে দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে কাজ করে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পাশাপাশি অন্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মানের সি-ফুড কোর্স সম্পন্ন করে একজন উদ্যোক্তা নিজের প্রতিষ্ঠান বা রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করতে পারেন। দেশ ও আন্তর্জাতিক বাজারে সি-ফুডের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
হাসিনা আনছার দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী, খুলনা, নারায়ণগঞ্জ, দিনাজপুর ও ঢাকার মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নতুন উদ্যোক্তাদের সি-ফুড বিষয়ে পেশাদার প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছেন। এ ছাড়া এসএমই ফাউন্ডেশনের অধীনেও তিনি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।








