ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি বিজেসির

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের চারশ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটারসহ সাংবাদিকরাও মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন না।
বিজ্ঞাপন
এই সিদ্ধান্তকে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে টেলিভিশন সাংবাদিকদের প্রধান সংগঠন ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি) ইসির এই নির্দেশনাকে হঠকারী বলে উল্লেখ করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিজেসি জানিয়েছে, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল বহন নিষিদ্ধ থাকায় সাংবাদিকরা দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে না। সংস্থার দাবি, এটি স্বাধীন সাংবাদিকতা ও তথ্য সংগ্রহের মৌলিক অধিকারকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করবে।
বিজ্ঞাপন
বিজেসি মনে করে, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীন ভূমিকা অপরিহার্য। ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের উপস্থিতি এবং তাৎক্ষণিক তথ্য সংগ্রহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম মোবাইল ফোন। নির্বাচনী ক্ষেত্রে এই ধরনের সীমাবদ্ধতা গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের সামিল এবং এটি নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন সৃষ্টি করবে।
সংগঠনটি আরও জানায়, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ থাকলে শুধুমাত্র সাংবাদিকরাই নয়, সাধারণ ভোটাররাও সমস্যার মুখোমুখি হবেন। এতে কিছু ভোটার ভোট দিতে যাওয়ায় অনীহা অনুভব করতে পারেন। তাই বিজেসি অবিলম্বে ইসির এই নির্দেশনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সাংবাদিকদের কার্যকর ভূমিকা ছাড়া ভোটের স্বচ্ছতা ও তথ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা কঠিন। তাই ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার নিয়ে চলমান বিতর্ক নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।








