Logo

টেকসই নগরায়ন এবং পরিকল্পিত ও সাশ্রয়ী আবাসনে সহযোগিতা প্রদানে আগ্রহী ভারত

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
৩ জুন, ২০২৪, ০৫:২৯
টেকসই নগরায়ন এবং পরিকল্পিত ও সাশ্রয়ী আবাসনে সহযোগিতা প্রদানে আগ্রহী ভারত
ছবি: সংগৃহীত

স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির পিছনেও ভারতের বড় ভূমিকা রয়েছে

বিজ্ঞাপন

পরিবেশবান্ধব, টেকসই নগরায়ন  এবং পরিকল্পিত ও সাশ্রয়ী আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আগ্রহ ব্যক্ত করেছে ভারত। 

রবিবার (২ জুন) বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী প্রণয় কুমার ভার্মা গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপির সাথে সচিবালয়ে তার দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসে এই আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন। 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

সাক্ষাৎকালে গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত বাংলাদেশকে ব্যাপক সহযোগিতা করেছে। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির পিছনেও ভারতের বড় ভূমিকা রয়েছে। বন্ধু-প্রতিম এই দুই প্রতিবেশী দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার আরো অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের যোগাযোগ কাঠামো উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ন এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়নে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।

 

ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দেশের প্রকৌশলীদের উন্নত প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। তাছাড়া আবাসন খাতে ভারতের রিয়েল এস্টেট কোম্পানিসমূহ ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট আরো অনেক বিষয় রয়েছে যেখানে দুই দেশ সম্মিলিতভাবে কাজ করলে উভয় দেশ উপকৃত হবে।

বিজ্ঞাপন

 

বিজ্ঞাপন

আলোচনাকালে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ন এবং টেকসই ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নে ভারতের বিস্তর অভিজ্ঞতা রয়েছে। গ্রীন বিল্ডিং টেকনোলজি, দুর্যোগ ঝুঁকি সহনীয় স্থাপনা নির্মাণসহ আবাসন খাতে ভারত বাংলাদেশ পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। তিনি বাংলাদেশী প্রকৌশলীদের পরিবেশ বান্ধব ভবন নির্মাণে ভারতে প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে বলে জানান।

 

তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সহযোগিতার বিদ্যমান ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করে আরো কার্যকরভাবে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। তিনি ভারতের সহযোগিতায় স্মার্ট সিটি গড়ে তুলতে একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া যায় বলে মন্তব্য করেন। বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং রিয়েল এস্টেট কোম্পানির সাথে যোগাযোগ সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে বলে তিনি জানান। ভারতীয় বিনিয়োগ প্রস্তাব সক্রিয় বিবেচনা এবং সাদরে গ্রহণ করা হবে বলে মন্ত্রী আশ্বাস দেন। সাক্ষাৎ শেষে তিনি মন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। তার এই আমন্ত্রণ  মন্ত্রী সাদরে গ্রহণ করেন এবং এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।

বিজ্ঞাপন

এমএল/ 

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD