Logo

বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে সই হতে যাচ্ছে ১৫ সমঝোতা স্মারক

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ জুন, ২০২৬, ১৭:১১
বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে সই হতে যাচ্ছে ১৫ সমঝোতা স্মারক
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও বিস্তৃত করতে বিভিন্ন খাতে ১৫টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর এসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ১৫টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, এই চুক্তিগুলো বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের বিদ্যমান কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং অন্যান্য সহযোগিতামূলক খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মাহদী আমিন আরও জানান, বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের সম্মানে চীনের প্রধানমন্ত্রী একটি রাষ্ট্রীয় ভোজের আয়োজন করবেন। এতে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

সফরের দ্বিতীয় দিনে, অর্থাৎ শুক্রবার (২৭ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই বৈঠকও সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র জানান, চীনের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি বাণিজ্য সম্প্রসারণ, উন্নয়ন সহযোগিতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে।

তিনি বলেন, সরকার আশা করছে, এসব আলোচনা ও সমঝোতা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে এবং দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। এ অবস্থায় উচ্চপর্যায়ের এই সফর এবং একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের উদ্যোগ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এদিকে সরকারি সূত্র বলছে, বৈঠকগুলোর মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনিয়োগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং উন্নয়ন সহায়তার মতো বিভিন্ন বিষয়ে নতুন অগ্রগতি অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সফরটি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD