পোস্টাল ভোটের ছবি প্রকাশ করলে স্থগিত হতে পারে এনআইডি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদানের পর পোস্টাল ব্যালটের ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বিজ্ঞাপন
কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমন কর্মকাণ্ডে জড়িতদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) স্থগিতসহ আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।
শনিবার এ বিষয়ে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন জানায়, পোস্টাল ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা করা প্রত্যেক ভোটারের দায়িত্ব। ভোট প্রদানের প্রমাণ হিসেবে ব্যালটের ছবি বা ভিডিও শেয়ার করা নির্বাচন আইন পরিপন্থী এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞাপন
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণার এক সপ্তাহের মধ্যেই নিবন্ধিত ভোটারদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু হয়েছে। ধাপে ধাপে এসব ব্যালট বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছাচ্ছে। ইতোমধ্যে কিছু ভোটার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যালটের ছবি শেয়ার করেছেন, যা কমিশনের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
তবে কমিশন স্পষ্ট করেছে, প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো ভোটার পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন না। আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরই ভোট প্রদানের সুযোগ মিলবে এবং পরদিন থেকেই ডাকযোগে ব্যালট ফেরত পাঠানো যাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যালট না পৌঁছালে তা গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, পোস্টাল ব্যালটে নৌকা প্রতীক ছাড়া নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মিলিয়ে মোট ১১৮টি প্রতীক থাকবে। পাশাপাশি ব্যালটে ‘না’ ভোটের চিহ্নও সংযুক্ত থাকবে।
কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা রক্ষায় আইন মেনে দায়িত্বশীল আচরণ করতে।








