স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকার নির্দেশ

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার জন্য দেশের সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর স্বাক্ষরিত এক নির্বাহী আদেশে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
২৯ ডিসেম্বর এই আদেশ দেশের সব সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক, চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে গেছে।
বিজ্ঞাপন
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যেই নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্ণ সহযোগিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বসমূহের মধ্যে রয়েছে:
১. আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান।
বিজ্ঞাপন
২. নির্বাচন কমিশনের জারি করা আদেশ ও নির্দেশ প্রতিপালন।
৩. নির্বাচনী মিছিল, সভা ও প্রচারণা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজন নিশ্চিত করা।
৪. কোনো নির্বাচনী অফিস বা প্রতীক নষ্ট বা ধ্বংসের চেষ্টা প্রতিরোধে সামাজিক প্রতিরোধ গঠন।
বিজ্ঞাপন
৫. নির্বাচনী প্রার্থীর ভোট বা প্রচারণায় প্রভাব বিস্তার করতে উন্নয়ন স্কিম গ্রহণ বা বাস্তবায়ন না করা।
৬. কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ভোট প্রাপ্তি বা নির্বাচনী প্রচারণার জন্য অনুদান বা প্রতিশ্রুতি না দেওয়া।
৭. স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিস, যানবাহন ও সম্পত্তি কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী কাজে ব্যবহার না করা।
বিজ্ঞাপন
৮. কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
৯. ভোটকেন্দ্র নির্মাণসহ নির্বাচনী কাজে সহায়তা প্রয়োজন হলে তা প্রদান করা।
১০. নির্বাচিত প্রতিনিধিরা পদমর্যাদা বা সরকারি সুযোগ সুবিধা কোনো প্রার্থীর নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করতে পারবে না।
বিজ্ঞাপন
আদেশে সতর্ক করা হয়েছে, এই নির্দেশনার ব্যর্থতা বা অবহেলা হলে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আদেশটি নির্বাচনের পরবর্তী ১৫ দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
সরকারি নির্দেশনার লক্ষ্য হলো দেশের সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে, নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু রাখার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করা।








