মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাতের আপিল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ ও জনমনে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় টেকনিক্যাল কারণে প্রার্থিতা বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যথাযথভাবে আপিল আবেদন দায়ের করেছেন।
বিজ্ঞাপন
আগামী ১৫ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে এই আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ত্রিশালের জনপ্রিয় এই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের খবরে সমর্থকদের মধ্যে হতাশা তৈরি হলেও, আপিল দায়েরের মাধ্যমে নির্বাচনী লড়াইয়ে ফেরার ব্যাপারে তিনি শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত জানান, মনোনয়নপত্র বাছাই প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত সাধারণ বা যান্ত্রিক কোনো ত্রুটির কারণে তাঁর প্রার্থিতা সাময়িকভাবে বাতিল হয়েছিল। তবে দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। আনোয়ার সাদাত বলেন, "আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে নির্বাচন কমিশন বরাবর আপিল করেছি।
বিজ্ঞাপন
ইনশাআল্লাহ, আগামী ১৫ জানুয়ারি শুনানিতে ন্যায়বিচার পাব এবং ত্রিশালবাসীর জন্য বড় কোনো সুখবর নিয়ে ফিরতে পারব।" ত্রিশালের সাধারণ ভোটার ও সমর্থকদের প্রতি বিশেষ বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, "আপনারা ধৈর্য ধরুন। কোনো ধরনের অপপ্রচারে বা গুজবে কান দেবেন না।
সকল বাধা ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত। আমার ও আমার পরিবারের শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধ করব—আপনারা সাধারণ মানুষের কাছে আমার এই বিজয়ের বার্তা পৌঁছে দিন।"
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ত্রিশালের সাধারণ ভোটারদের মাঝে এই আপিল শুনানি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যদি ১৫ জানুযারি আপিল শুনানিতে মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত তাঁর প্রার্থিতা ফিরে পান, তবে ত্রিশালের নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হবে।
ত্রিশালের মাটি ও মানুষের এই প্রার্থীর প্রতি সাধারণ জনগণের সমর্থন থাকায় তাঁর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া নির্বাচনী মাঠে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাচনী এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এবং সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন এই প্রার্থী। এখন সবার নজর আগামী ১৫ জানুয়ারির আপিল শুনানির ফলাফলের দিকে।








