স্বৈরাচারী ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, দীর্ঘ ৫৪ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করে দেশকে ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে এই নির্বাচন ও গণভোট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় ফরিদপুর শহরের অম্বিকা ময়দানে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান।
তিনি বলেন, অতীতের ধারাবাহিকতা ভেঙে নতুন পথে এগোতে হলে এবার ভোটারদের দুটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। পছন্দের প্রার্থী নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা জরুরি। এজন্য ভোটারদের আরও সচেতন ও সতর্কভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সাধারণ ভোটাররাও ভোট দিতে আগ্রহী। তবে এখনও একটি মহল নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি ও সন্দেহ ছড়ানোর চেষ্টা করছে। দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের প্রভাব পুরোপুরি কাটেনি বলেই এই অপচেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া যোদ্ধাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং স্বৈরাচারী ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সমর্থন জানাতে হবে।। তা না হলে দেশ আবার ফ্যাসিবাদের দিকে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্যা। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ মাহবুবা ফারজানা, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
বিজ্ঞাপন
বক্তারা সবাই একমত পোষণ করে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ রুখে দিয়ে গণতন্ত্রকে স্থায়ী রূপ দিতে হলে সবাইকে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে হবে।
এর আগে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে “পরিবর্তনের চাবি, জনগণের হাতে” স্লোগান ধারণ করে গণভোটের পক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে অম্বিকা ময়দানে গিয়ে শেষ হয়।








