পুরোনো মোবাইল বিক্রি-হস্তান্তরের আগে বাতিল করতে হবে নিবন্ধন

ব্যবহৃত মোবাইল ফোন অন্যের কাছে হস্তান্তর বা বিক্রি করার আগে অবশ্যই সেটির নিবন্ধন বাতিল করতে হবে—এমন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার’ (এনইআইআর) ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের মোবাইল ফোন ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত করতে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে।
বিটিআরসি জানায়, এনইআইআর কার্যক্রম শুরুর ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে সক্রিয় সব বৈধ হ্যান্ডসেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধনের আওতায় এসেছে। এর মাধ্যমে অবৈধ, নকল ও চোরাই মোবাইল ফোন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে বলে মনে করছে কমিশন।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, কোনো গ্রাহক যদি নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনে সিম পরিবর্তন করেন, কিংবা ফোনটি অন্য কারও কাছে ব্যবহার, হস্তান্তর বা বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন—সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আগে ডি-রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট হ্যান্ডসেটটিকে জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে থাকা নিবন্ধন থেকে অবমুক্ত করতে হবে।
ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত পরিচয়পত্রের তথ্য প্রয়োজন হবে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা ব্যবহার করে নিবন্ধন বাতিল করা যাবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।
আরও পড়ুন: তেজগাঁও সাতরাস্তা মোড় অবরোধ, তীব্র যানজট
বিজ্ঞাপন
ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা ও পদ্ধতি জানতে বিটিআরসির নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো সহায়তার জন্য বিটিআরসির কল সেন্টারে ১০০ নম্বরে যোগাযোগ করা অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটবর্তী কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও তথ্য নেওয়া যাবে।
বিটিআরসির মতে, এই ব্যবস্থা চালুর ফলে মোবাইল ফোন ব্যবহার ও মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা কমবে এবং গ্রাহক নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।








